Lopamudra-Joy: ‘খুব হিংসে করত, চায়নি জয়কে বিয়েটা করি…’! কেন লোপামুদ্রার বিয়েতে মত ছিল না কাকার?
লোপামুদ্রা জানান যে, তাঁর কাকা ভীষণ ভালোবাসত জয়কে। তবে এই বিয়েতে একেবারেই মত ছিল না! নিজেই খোলসা করেছিলেন এর কারণ।
বাংলা সঙ্গীত জগতের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল দম্পতি হলেন লোপামুদ্রা মিত্র ও জয় সরকার। প্রায় ২৫ বছর আগে দুজনে সংসার পেতেছিলেন। শুরুর দিকে লোপামুদ্রার অন্ধভক্ত ছিলেন জয়। অনুগামী হিসেবেই পরিচয় দিয়েছলেন নিজের। তবে এরপর দুটো মন বাঁধা পড়ল ভালোবাসার বন্ধনে। নিয়ে ফেললেন বিয়ের সিদ্ধান্ত। এক সাক্ষাৎকারে লোপা জানিয়েছিলেন যে, তাঁর কাকা ভীষণ ভালোবাসত জয়কে। তবে এই বিয়েতে একেবারেই মত ছিল না! কারণ তিনি ভয় পেতেন, বিয়ে করে সংসারের আটকে পড়লে হয়ত তাঁদের বাড়ির মেয়ের ‘গান-বাজনা’ নষ্ট হতে পারে।

এক সাক্ষাৎকারে লোপা বলেছিলেন, ‘আমার কাকা খুব হিংসে করত জয়কে। ওকে ভীষণ ভালোবাসত, শ্রদ্ধা করত শেষ দিন পর্যন্ত। তবে জয়কে বিয়ে করাটা কাকা মেনে নিতে পারেনি। বলেছিল বিয়ে করলে তুই আর গান-বাজনা করতে পারবি না। তুই সংসার করবি। এটা কাকার জীবনের একটা ভুল অ্য়াসেসমেন্ট ছিল। কারণ আমার কাছে গান-বাজনা সবসময়ই পয়লা স্থানে।’
লোপামুদ্রা আরও জানান যে, তিনি যখন নিজের বুটিক ‘প্রথা’ খোলার সিদ্ধান্ত নেন, তখন এভাবেই রাগ করেছিলেন জয়। ভেবেছিলেন, এতে বুঝি ক্ষতি হবে তাঁর গানের। লোপার কথায়, ‘যখন আমি প্রথা করি, জয় প্রচণ্ড রেগে গিয়েছিল। যে তুমি গানবাজনা ছেড়ে প্রথা করছ। আর আমি তো ইনসিকিউরিটিতে, ভাবছি আজকেই বুঝি আমার গান বাজনা শেষ হয়ে যাবে। ১১ বছর হয়ে গেল প্রথা করছি। প্রথা করার পর যখন একটা একক করলাম, সেই একেক যাওয়ার পরকরি জয়ের বিশ্বাস হল না আমি গান বাজনাটাও করি যখন মন দিয়ে করি।’
জয়ের বাজনা, মিউজিকাল সেন্সের প্রেমে পড়েছিলেন লোপা। সঙ্গে বুঝেছিলেন, মানুষটা খুব ম্যাচিওর। এক সাক্ষাৎকারে জয় জানিয়েছিলেন, ‘তখন শো-এর খুব চাপ চলছিল। নর্থ বেঙ্গল থেকে শো করে ফেরার সময় ট্রেনে লোপা বলল, চলোটা বিয়ে করেনি। সেই মতো নিজের ডায়রি বার করে দেখল ২২ জানুয়ারি ডেটটা ফাঁকা রয়েছে। ওইদিন ওর কোনও শো নেই। আমারও ওইদিন কোনও অনুষ্ঠান ছিল না। বিয়েটা সেরে ফেললাম’।
ঝগড়া-ভালোবাসা মিলিয়ে কাটিয়ে ফেলেছেন দাম্পত্যের অনেকগুলো বছর। যদিও দুজনের সারাক্ষণ ঝগড়া লেগে আছে। একবার দাদাগিরিতে এসে বরকে ‘ননদ’ বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি লোপা। তবে এই ঝগড়ার মাঝেই আসলে লুকিয়ে আছে ভালোবাসার সুর। যা আজও বেঁধে রেখেছে দুই তারকাকে একসঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


