পুজোয় ঠাকুর দেখেন লাইনে দাঁড়িয়েই, ভিড়ে মিশে যাওয়ার সহজ ট্রিক শেখালেন মধুমিতা

কলকাতায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা খাওয়া অথবা ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে ঠাকুর দেখা, তারকাদের কাছে এই সমস্ত ব্যাপার স্বপ্নের মতো। চাইলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে পারেন না তাঁরা। 

Published on: Oct 6, 2026, 20:02:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

কলকাতায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা খাওয়া অথবা ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়ে ঠাকুর দেখা, তারকাদের কাছে এই সমস্ত ব্যাপার স্বপ্নের মতো। চাইলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে পারেন না তাঁরা। কিন্তু টলি তারকাদের মধ্যে এমন একজন আছেন যিনি অবলীলায় কলকাতার রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েন। তিনি হলেন মধুমিতা সরকার।

ভিড়ে মিশে যাওয়ার সহজ ট্রিক শেখালেন মধুমিতা
ভিড়ে মিশে যাওয়ার সহজ ট্রিক শেখালেন মধুমিতা

এই বছর দুর্গাপুজো মধুমিতার কাছে ভীষণ স্পেশাল কারণ বিয়ের পর এটি প্রথম পুজো হতে চলেছে তাঁর। তবে স্বামীর সঙ্গে প্যান্ডেল হপিং-এর থেকেও বেশি তিনি মজা পান বন্ধুদের সঙ্গে রাস্তায় বেরিয়ে ঠাকুর দেখতে। কিন্তু যেহেতু তিনি একজন তারকা তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে সাধারণ মানুষের চিনে ফেলাটা খুব সহজ।

আরও পড়ুন: খুনির হাত থেকে মহিলাদের বাঁচাবে চিত্রা, সিরিজে থাকবে প্রীতি-আইভির স্পেশাল চমক

কিন্তু কলকাতার রাস্তায় ভিড়ে নিজেকে কীভাবে লুকিয়ে রাখতে হয় সেটার একটি সহজ পন্থা শিখিয়ে দিলেন মধুমিতা। দ্যা ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকার বলেন, ‘আমি ভিড়ের মধ্যে খুব সহজে মিশে যেতে পারি। আমি মানুষের চোখের দিকে তাকাই না। একদম মাটির দিকে তাকিয়ে এগিয়ে যাই। ঠাকুর দেখেই আবার চট করে বেরিয়ে যাই। পুজোর সময় সবাই নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তাই চট করে কেউ নজর দেয় না।’

আরও পড়ুন: সব ভুল-বোঝাবুঝি ধুয়ে মুছে সাফ, দেবের 'দেশু ৭'- এর ট্রেলার লঞ্চ করতে চলেছেন জিৎ

বন্ধুদের সঙ্গে দুর্গাপুজোর একটি মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মধুমিতা বলেন, ‘অনেক সময় এমন হয়েছে একটি জায়গায় গাড়ি রেখে আমরা হাঁটতে হাঁটতে অনেকটা বেরিয়ে গিয়েছি। আবার বাসে করে ফিরেছি যেখানে গাড়ি রাখা আছে। বন্ধুরা প্রথমে কিছু বলে না কিন্তু ঠিক যখন বাস থেকে নামতে যাব তখন ওদের মধ্যে কেউ একজন বলে দেয়, ওটা পাখি না! বাসের অন্যান্য যাত্রীরা কিছু বোঝার আগেই বন্ধুরা আমার হাত ধরে নামিয়ে নিয়ে চলে যায়। এগুলো না হলে আর পুজোর আনন্দ কি!’