Asha Bhosle-Mamata Banerjee: ‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমাদের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন…’! আশার প্রয়াণে শোকাতুর মমতা
আশা ভোঁসলে-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গবিভূষণ-প্রাপ্ত গায়িকার প্রয়াণে ভারতীয় সঙ্গীত জগৎ এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
Mamata Banerjee's tweet on Asha Bhosle: প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সঙ্গীত জগৎ এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকবার্তায় বলেন, আশা ভোঁসলে ছিলেন এক অনন্য ও বিস্ময়কর কণ্ঠশিল্পী, যিনি বহু দশক ধরে তাঁর সুরেলা কণ্ঠে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। তাঁর গান শুধু বিনোদন নয়, ভারতীয় সংগীতের এক অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।
‘মহান সঙ্গীত প্রতিভা আশা ভোঁসলে-এর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন এক অনুপ্রেরণাদায়ক ও মোহনীয় কণ্ঠশিল্পী, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমাদের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন। তিনি বহু বাংলা গানও গেয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গেও অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালে আমরা তাঁকে আমাদের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ প্রদান করতে পেরেছিলাম। আমি তাঁর পরিবার, সঙ্গীত মহল এবং বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ভক্তের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’, এক্স (আগের টুইটার)-এ পোস্ট করেন মমতা।
আশার হাসপাতালে ভর্তি ও শেষ সময়ের পরিস্থিতি
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বয়সজনিত জটিলতা, হৃদযন্ত্রের সমস্যা এবং ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। হাসপাতালে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁর অবস্থার আর উন্নতি হয়নি। রবিবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে।
আশার সংগীত জীবন
আশা ভোঁসলে ছিলেন প্রয়াত কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর-এর ছোট বোন। তিনি বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় হাজার হাজার গান রেকর্ড করেছেন এবং বলিউডের স্বর্ণযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত অসংখ্য অভিনেত্রীকে তাঁর কণ্ঠ দিয়েছেন।
তাঁর জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিলকো’, ‘আভি না যাও ছোড়কে’, ‘ইন আঁখো কে মস্তি কে’-র মতো গান। তিনি সঙ্গীত জগতে অসাধারণ অবদানের জন্য পদ্ম বিভূষণ-এ সম্মানিত হন। এছাড়াও তাঁর দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সঙ্গীত জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পদ্ম ভূষণ পুরস্কারও লাভ করেছেন।
শেষ বিদায় ও শোকের ছায়া
এই কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যুতে সঙ্গীত জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত ও শিল্পীরা তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। গায়িকার ছেলে জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে সবাই এসে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এখানেই তিনি থাকতেন। এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


