বিশ্বজিতের গরুর মাংস খেতে চাই মন্তব্যে মুখ খুললেন মানসী! শুভেন্দুকে বিশেষ অনুরোধ

বাংলাদেশে গিয়ে অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর করা মন্তব্য রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার চলমান বিতর্কে মুখ খুললেন মানসী সিনহা। 

Published on: Sep 9, 2026, 16:30:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর সাম্প্রতিকতম মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বাংলাদেশে পা রেখে সেখানকার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে অভিনেতা জানিয়েছিলেন যে, সেদেশের ইলিশ মাছ ও গোরুর মাংস তাঁর বিশেষ প্রিয়। এমনকী, তিনি সাক্ষাৎকার চলাকালীন জানান যে, ‘(আজ) রাতেই খেতে যাব’! এরপর রীতিমতো রে রে করে তেড়ে আসে নেটিজেনরা। সেই ভিডিয়োর ক্লিপিংস ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বিশ্বজিতের গোরুর মাংস মন্তব্যে মুখ খুললেন মানসী সিনহা।
বিশ্বজিতের গোরুর মাংস মন্তব্যে মুখ খুললেন মানসী সিনহা।

গোরুর মাংস খাওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করে রীতিমতো কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এমনকী অনেকে ‘ব্রাহ্মণ সমাজের কলঙ্ক’ বলেও কটাক্ষ করেন তাঁকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত পড়তে হয় হুমকির মুখে। এবার বিশ্বজিতকে নিয়ে হওয়া বিতর্কে মুখ খুললেন অভিনেত্রী-পরিচালক মানসী সিনহা।

ফেসবুকে পোস্ট করে মানসী এরপর। একটি ছবি শেয়ার করেন যেখানে দেখা যায় বিশ্বজিৎকে কেক খাওয়াচ্ছেন তিনি। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, ‘বাংলার সম্মানীয় অভিনেতা শ্রী বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে নিয়ে যে বা যারা নোংরা পোস্ট করছে, তাদের ধিক্কার জানাই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির বন্দোবস্ত করা হোক।’

তাঁকে নিয়ে চলা এ কটাক্ষ নজর এড়ায়নি বিশ্বজিতেরও। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমার পেট, আমার টাকা—কে কী খাবে বা আমি কী খাব, তা ঠিক করার অধিকার অন্য কারও নেই।’

মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে মানসী বলেন, ‘বিশ্বজিৎদা বলেছেন আতিথেয়তায় আমাদের দেশের থেকে বাংলাদেশ ভালো। আমি ওঁর এই মন্তব্য সমর্থন করি না। কারণ আমার কাছে আমার দেশ সেরা। তবে সেটার জন্য আমি বিশ্বজিৎদাকে ট্রোল করতে যাইনি। ওঁকে হাসতে হাসতেই বলেছি, কেন বললে। যে নোংরা ট্রোল ওঁকে ঘিরে হয়েছে, সেটাকেও সমর্থন করি না। আমি বিশ্বাস করি কে কী খাবে, কে কী পরবে, সেটা তাঁর নিজস্ব ব্য়াপার। কেউ লুকিয়ে খেলে সমস্যা নেই বলছ? উনি তো ঢাক পিটিয়ে জানাতে চাননি। ওঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে, কী খান বাংলাদেশ এলে। উনি জানিয়েছেন।’

ঠিক কী বলেছিলেন বিশ্বজিৎ?

অভিনেতা একটি শ্যুটিংয়ের কারণে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ। সেখানে তাঁর কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, পড়শি দেশের কোন জিনিসটা তাঁর সবচেয়ে ভালো লাগে। আর তাতে বিশ্বজিৎ ভূয়সী প্রশংসা করেন সেখানকার মানুষ, তাঁদের আতিথেয়তা এবং বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন তিনি।

এরপর অভিনেতার কাছে যখন জানতে চাওয়া হয় যে, বাংলাদেশের কোন খাবার তাঁর সবচেয়ে পছন্দের, এই প্রশ্নে জবাব আসে, গোরুর মাংস এবং ইলিশ মাছ তাঁর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে।

সেই সাংবাদিক বিশ্বজিতের কাছে আরও জানতে চান যে, ইতিমধ্যেই খাওয়া হয়েছে কি না! এতে বিশ্বজিতের জবাব ছিল, তিনি সদ্য পা রেখেছেন (বাংলাদেশে)। দুপুরে মাংস ভাত খেয়েছেন, আর রাতে যাবেন গোরুর মাংস খেতে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More