'সিরিয়ালে সাইড রোল করে এই বাড়ি বানানো অসম্ভব', আয়ের উৎস নিয়ে কটাক্ষ, সপাট জবাব মানসীর

'সিরিয়াল করে কত টাকা আয় করেন?' কলকাতার বুকে চারতলা বাড়ি বানাতেই কটাক্ষে জেরবার মানসী। কী জবাব দিলেন অভিনেত্রী?

Published on: Jun 18, 2026, 19:05:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত। এই মুহূর্তে তিনি ‘গঙ্গা’ ও ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মন জয় করছেন। সম্প্রতি তাঁর জীবনের একটি বড় স্বপ্নপূরণ হয়েছে— কলকাতার রুবি সংলগ্ন এলাকায় ঝিলের পারে নিজের মনের মতো এক বিলাসবহুল স্বপ্নের বাড়ি, যার নাম রেখেছেন ‘পিছুটান’।

'সিরিয়ালে সাইড রোল করে এই বাড়ি বানানো অসম্ভব', আয়ের উৎস নিয়ে কটাক্ষ, সপাট জবাব মানসীর
'সিরিয়ালে সাইড রোল করে এই বাড়ি বানানো অসম্ভব', আয়ের উৎস নিয়ে কটাক্ষ, সপাট জবাব মানসীর

মানসীর চারতলা বাড়িতে চোখ আটকে যাবে যে কারুর। নিজের সঞ্চয় দিয়ে এমন রাজপ্রাসাদ-সম বাড়ি তৈরি করতেই নেটপাড়ার একাংশ ও নিন্দুকদের মনে নানা প্রশ্ন জেগেছে। অনেকেরই দাবি, শুধুমাত্র মেগা ধারাবাহিকে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে এত কম বয়সে এমন বাড়ি বানানো অসম্ভব। সোশ্য়াল মিডিয়ায় ধেয়ে এসেছে অজস্র যৌনগন্ধী মন্তব্য। নিন্দুকদের সেই সমস্ত বাঁকা প্রশ্নের এবার সপাটে জবাব দিলেন মানসী।

‘ধারাবাহিক করে এমন বাড়ি কীভাবে সম্ভব?’

সোশ্যাল মিডিয়ায় মানসীর নতুন বাড়ির ছবি আসতেই সমালোচনা শুরু করেন অনেকে। এই বিষয়ে মানসীর জবাব এক্কেবারে স্পষ্ট এবং ধারালো।

তিনি এই সময় ডিজিট্যালকে বলেন, 'আমি কি ধারাবাহিকে ফ্রি-তে অভিনয় করি? কথা বলতে তো ট্যাক্স লাগে না, যদি লাগত তবে মানুষ একটু কম কথা বলত। যে যা ইচ্ছে বলতে পারে। উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। এটুকুই বলব, শুধু সম্ভবই নয়, খুব ভালো ভাবেই সম্ভব।'

নিজের উপার্জনের সততা নিয়ে অভিনেত্রী আরও যোগ করেন, 'আমি ভীষণই সৎ পথে উপার্জন করি। তাই আমার আইটি ফাইলও খুব স্ট্রং। আমায় নিয়ে যারা সমালোচনা করছে, তারা যদি একটু নিজেদের কাজে ফোকাস করে, তা হলে আমার থেকেও ভালো বাড়ি বানাতে পারবে।'

লোন নিয়ে, একা দাঁড়িয়ে করা বাড়ি

মানসী জানান, ছোট থেকেই তিনি ফ্ল্যাটে নয়, বাড়িতে বড় হয়েছেন। তাই নিজের একটা বাড়ি করার তীব্র ইচ্ছে ছিল। বাজেটের বাইরে হওয়ায় তিনি লোনের জন্য আবেদন করেন। মানসীর কথায় 'সবচেয়ে ভালোলাগার, একা দাঁড়িয়ে থেকে সবটা করেছি। আমার সময়, সঞ্চয় সব কিছু দিয়েছি।'

‘সব পিছুটান ভুলে’ কি নতুন প্রেমে পড়েছেন মানসী?

কিছুদিন আগেই নিজের ডিভোর্সের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। দুই সন্তানের দায়িত্ব অবশ্য তিনি ও তাঁর প্রাক্তন স্বামী দুজনেই ভাগ করে নিয়েছেন। নতুন বাড়ি করার পর থেকেই গুঞ্জন রটেছে, মানসী নাকি সমস্ত ‘পিছুটান’ ভুলে এবার নতুন কোনও সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে মানসী বলেন: 'জীবনের নতুন মানুষের আগমন নিয়ে এখনও কিছু ভাবিনি। আর সব সঞ্চয় দিয়ে বাড়িটা বানিয়ে ফেলেছি তো। তাই পিছুটান তো একটা আছেই। এখন আমায় প্রচুর কাজ করতে হবে। লোন রয়েছে, ছেলেমেয়ের পড়াশোনা- সব কিছু নিয়ে এখন এতটাই ব্যস্ত, যে অন্য দিকটা নিয়ে ভাবার আপাতত সময় নেই।'

তবে তিনি যে ভালোবাসায় বিশ্বাসী, তাও অকপটে স্বীকার করেছেন। মানসীর কথায়, 'আমি প্রেমিকা মানুষ। আমার জীবনে প্রেম নিশ্চয়ই আসবে। তবে জোর করে আনব এমনটা নয়। যখন আসার তখনই আসবে। আপাতত এই মুহূর্তে এসব ভাবব না। আর এলেও লুকিয়ে রাখব না।'

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More