Manasi Sengupta: ‘গেরুয়া’ দলে যোগ দিলেন মানসী! প্রাক্তন সরকারের অনুষ্ঠানে থাকা নিয়ে কী বললেন?
এবার রাজনীতিতে পদার্পন করলেন টলিউডের দুঁদে খলনায়িকা মানসী সেনগুপ্ত। বুধবার বিজেএমসি (ভারতীয় জনতা মজদুর সেল)-র দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিসট্রিক্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন তিনি।
টলিউডের দুঁদে খলনায়িকা হিসেবে পরিচিত মানসী সেনগুপ্ত। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হামেশায় চর্চায় থাকেন তিনি। ডিভোর্স, সন্তান, নতুন চার তলা বাড়ি, মানসীকে নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। এরইমাঝে রাজনীতিতে পদার্পন করলেন অভিনেত্রী।

বৃহস্পতিবার বিজেএমসি (ভারতীয় জনতা মজদুর সেল)-র দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিসট্রিক্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন মানসী। আর জীবনের নতুন এই চ্যাপ্টারে পা রেখে জানালেন, পুরনো সরকারের নিন্দে করে নয়, বরং নিজের কাজ দিয়ে পরিচিতি পেতে চান তিনি।
বিজেএমসি-তে যোগদানের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মানসী জানান, ‘আমি রুলিং পার্টির সঙ্গে সেভাবে কখনোই যুক্ত ছিলাম না। কোনো মিটিং মিছিলেও যাইনি। কারণ আমার মতাদর্শ আলাদা ছিল। তবে আমরা তো অভিনেতা-অভিনেত্রী কিছু শো-তে যেতে হয়েছে। কিছু শো-তে টাকাও পেয়েছি। প্রাক্তন সরকার কী করে গেছে, কার কী ভুল ছিল আমি এসব বিতর্কে যাব না। কার কী খারাপ, কার কী ভুল, কে কী করতে পারে, এই যে বাকবিতণ্ডা, এই যে কাদা ছোড়াছুড়ি আমি এতে বিশ্বাস করি না। কারণ মানুষের কীসে ভালো হবে সেটার দিকে লক্ষ রাখতে চাই। আমি সমালোচনার কারণে চর্চায় থাকতে চাই না। আমি আমার কাজ নিয়ে চর্চায় থাকতে চাই।’
সঙ্গে বিজেএমসি-কেও ধন্যবাদ জানান তিনি। বলেন, ‘ওঁরা আমায় নির্বাচিত করেছেন। আমি তার জন্য খুবই গ্রেটফুল। আমার মাথা নত থাকবে তাঁদের কাছে সারাজীবন। তাঁরা যা যাভাবে যেভাব বলবেন, আমার আগামীর পথচলাটা সেভাবেই হবে।’
মানসীর বিজেএমসি-তে যোগদানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একজন লেখেন, ‘আশা করি রাজনীতিতেও তুমি দাপিয়ে বেড়াবে’। আরেকজন লেখেন, ‘সে কি! মানসীও এবার গেরুয়া দলে।’ অন্যজন লেখেন, ‘জলদি বুঝে গিয়েছে কোন দিকে গেলে সুবিধা পাবে’।
প্রসঙ্গত, ভারতীয় জনতা মজদুর সেল (BJMC) আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) সরাসরি কোনো সাংগঠনিক শাখা বা অনুমোদিত অঙ্গসংগঠন নয়, তবে এটি বিজেপি-সমর্থিত একটি সংগঠন হিসেবে নিজেদের দাবি করে। বিজেপির মূল ও স্বীকৃত শ্রমিক শাখা হল ‘ভারতীয় মজদুর সংঘ’ (BMS)।
মাসখানেক আগেই নিজের ডিভোর্সের খবর জানান মানসী সেনগুপ্ত। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর, দুই সন্তানকে নিজের কাছে রেখেই মানুষ করছেন। এর আগেও মানসীর দাম্পত্য জীবনে সমস্যার খবর সামনে এসেছিল। তবে সেই সময়, প্রথম সন্তান অর্থাৎ মেয়ের জন্য দুজনে সব ঠিক করে নেন। এরপর এক পুত্র সন্তানের মা-ও হন তিনি। এমনকী, স্বামীর সঙ্গে ছবি না দেওয়ায় সেই সময় তাঁর ছেলের পিতৃ-পরিচয় নিয়েও ট্রোল করেছিল কিছু নেটিজেন। তবে এসব নেতিবাচকতায় কখনোই পাত্তা দেননি মানসী। প্রয়োজনে কড়া জবাব দিয়ে ট্রোলের মুখও বন্ধ করেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


