‘শুধু মনোজ তিওয়ারির মেয়ে বলেই রোজ খুন আর ধর্ষণের হুমকি পাই’, ভেঙে পড়লেন ঋতি
ভোজপুরী সিনেমার সুপারহিট নায়ক তথা বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারির কন্যা ঋতি, বিগ বসের চলতি সিজনের প্রতিযোগী।
ভোজপুরি সিনেমা ও রাজনীতির জগতের পরিচিত মুখ মনোজ তিওয়ারির নাম সমাজ ও বিনোদন জগতে বিশাল। তবে একজন সেলিব্রিটির সন্তান হওয়ার খেসারত যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, তার এক মর্মান্তিক সত্য এবার তুলে ধরলেন তাঁর মেয়ে ঋতি তিওয়ারি। 'বিগ বস ২০'-এর প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করা ঋতি সম্প্রতি রিয়্যালিটি শো-র মঞ্চেই নিজের জীবনের এই অন্ধকার ও যন্ত্রণাদায়ক দিক নিয়ে মুখ খুলেছেন।

শো চলাকালীন কিংবদন্তি বক্সার মেরি কমের সঙ্গে আড্ডায় ঋতি জানান, তারকা বাবার নাম বহন করা তাঁর জন্য এক বিশাল মানসিক চাপ। তিনি বলেন, 'আমার ওপর সবসময় দ্বিগুণ চাপ থাকে। আমি যাই বলি না কেন, লোকে মন্তব্য করে—'মনোজ তিওয়ারির মেয়ে এই বলেছে, ও তো এমনই!' এর চেয়েও ভয়াবহ বিষয় হলো, কেবল মনোজ তিওয়ারির মেয়ে হওয়ার অপরাধে আমাকে প্রতিনয়ত খুনের আর ধর্ষণের হুমকি সহ্য করতে হয়! আমার ব্যক্তিগত মতামতকেও সবাই ওঁর মতামত বলে ধরে নেয় এবং বাবা বিখ্যাত বলেই আমাকে এভাবে টার্গেট করা হয়।"
শো-র আরেক সহ-প্রতিযোগী কণিকা মানের সঙ্গে নিজের ভাঙা প্রেম ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মন খুলে কথা বলেন এই গায়িকা-সংগীত পরিচালক। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ এবং সিঙ্গেল মাদার হিসেবে মায়ের লড়াই দেখে বড় হওয়া ঋতির কথায়, তিনি নিজের আত্মপরিচয় তৈরিতেই সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসী। নিজের প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার কথা জানাতে গিয়ে ঋতি বলেন, ‘আমি কুড়ি বছর ধরে আমার সেরা বন্ধুকে ভালোবাসতাম। কিন্তু সম্প্রতি সেই সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে। আমি চাই নিজের পায়ে দাঁড়াতে, কারণ অতীতে আমি এমন কিছু পুরুষের মুখোমুখি হয়েছি যারা আমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইত।’
ইউটিউব ও স্পটিফাইয়ে ‘বারিশ’'সহ একাধিক একক গানের সুরকার ও গায়িকা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ঋতি এখন বিগ বসের ঘরে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়তে মরিয়া। উল্লেখ্য, সলমান খান সঞ্চালিত 'বিগ বস ২০'-তে এবার কালার্স টিভি ও জিও-হটস্টারে লড়াই করছেন কাজী তৌকীর, কণিকা মান, মাহি ভিজ, আম্রপালী দুবের মতো ১৬ জন প্রতিযোগী।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


