Kaushiki Chakraborty Husband: শৈশবের প্রেম, বিতর্ক চিড় ধরায়নি দাম্পত্যে, কৌশিকির স্বামীকে চেনেন? বয়সের ফারাক কত?

Kaushiki Chakraborty Husband: মা হওয়ার পরও গায়িকা কৌশিকির স্বপ্নউড়ান থমকে যায়নি, কারণ তাকে নতুন ডানা দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী পার্থ দেশিকান। নিজের কেরিয়ারের বলিদান দিতেও পিছপা হননি। 

Published on: Oct 24, 2025, 23:23:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কৌশিকি চক্রবর্তী, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের দুনিয়ায় অতি পরিচিত নাম। বর্তমানে জি বাংলা সারেগামাপা-র সুবাদে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন কৌশিকি। গায়িকার গানের গলা যেমন মধুর, তেমনই মধুর কৌশিকির হাসি। তিনি রূপে লক্ষ্মী আর গুণে সরস্বতী। ২৪শে অক্টোবর কৌশিকির জন্মদিন। কথায় বলে মেয়েদের বয়স বলতে নেই! তবে উইকিপিডিয়া বলছে, কৌশিকি পা দিলেন ৪৫-এ।

শৈশবের প্রেম, ডিভোর্স জল্পনা চিড় ধরায়নি দাম্পত্যে, কৌশিকির স্বামীকে চেনেন?
শৈশবের প্রেম, ডিভোর্স জল্পনা চিড় ধরায়নি দাম্পত্যে, কৌশিকির স্বামীকে চেনেন?

জন্মদিনে অবশ্য শহরের বাইরে গায়িকা। ছেলে ঋষিতকে নিয়ে উড়ে গিয়েছেন নিজামের শহর হায়দরাবাদে। সেখানে শনিবার কনসার্ট রয়েছে কৌশিকির। ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখতেই ভালোবাসেন অজয় চক্রবর্তী কন্যা। তাঁর সোশ্য়াল মিডিয়া প্রোফাইলেও কাজের বাইরে খুব বেশি কিছুর ঝলক ধরা পড়ে না। তবে চেনেন কি গায়িকার স্বামীকে? কৌশিকির সাফল্যের অনেকটা জুড়ে রয়েছেন তিনি।

সাফল্য আর জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে স্ত্রী এগিয়ে। কিন্তু এই নিয়ে কোনও অভিমান নেই কৌশিকি চক্রবর্তীর স্বামী, পার্থ দেশিকানের। ছেলেবেলার বন্ধু কৌশিকী ও তাঁর স্বামী পার্থসারথি দেশিকান। জ্ঞানত পরস্পরকে চেনেন, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, সঙ্গীতশিক্ষা তাঁদের। ২০০৪ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন দুজনে।

এক সাক্ষাৎকারে স্বামী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কৌশিকি বলেছিলেন, ‘আমার তখন দুই বা তিন বছর, আর ওর আট। তখন থেকে দেখছি দুজন দু’জনকে, ঠিক কবে প্রেম হয়েছে মনেও পড়ে না।’ হ্যাঁ, বয়সে কৌশিকি তাঁর স্বামীর চেয়ে বছর পাঁচেকের ছোট। যদিও কৌশিকিকে দেখে বোঝা দায়, গায়িকা ৪৫-এর গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছেন।

খাতায়-কলমে দাম্পত্য জীবনের ২১টা বসন্ত পার করে ফেলেছেন। গান শেখান পার্থসারথি। স্ত্রীর সবচেয়ে বড় সমালোচকও তিনি। বছর দশেক আগে স্বামী পার্থ দেশিকানের সঙ্গে কৌশিকির ডিভোর্স জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছিল। সেই সময় গায়িকা বলেছিলেন, পুরোটাই মিথ্যা রটনা। কৌশিকির কেরিয়ারে তাঁর স্বামীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ছেলের জন্মের পর স্ত্রীর স্বপ্নউড়ানের কাণ্ডারী হয়েছিলেন পার্থ। নিজের কেরিয়ারের বলিদান দিতেও পিছপা হননি তিনি। কারণ বাবা-মা দুজনেই গান নিয়ে এই শহর থেকে ওই শহর দৌড়ে বেড়ালে ছোট্ট ঋষিথ একলা হয়ে যাবে।

শৈশবের বন্ধুত্ব, গান নিয়ে ডুবে থেকেছেন দুজনেই। পারিবারিক সাঙ্গীতিক পরিবেশ তাঁদের বড় হওয়ার পথের পাথেয়, আর সেই পথেই এখন হাঁটছে তাঁদের ছেলে ঋষিথ দেশিকান।