'এই জয়টা ব্যক্তিগত মনে হচ্ছে…', পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের জয়ে শুভেচ্ছাবার্তা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমির

টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় মিমি চক্রবর্তী। তৃণমূলের সাংসদ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন। যদিও শেষ লোকসভা নির্বাচনে তিনি রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নেন। তারপর রাজনীতির ময়দানে তাঁকে আর সক্রিয় ভাবে দেখা যায়নি। তবে এবার অভয়ার মা রত্না দেবনাথের জয়ের পর তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

Published on: May 5, 2026, 01:37:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় মিমি চক্রবর্তী। একসময় তিনি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তৃণমূলের হয়ে ভোটেও দাঁড়িয়ে ছিলেন, এমনকী এই দলের সাংসদ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছিলেন। যদিও শেষ লোকসভা নির্বাচনে তিনি রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নেন। তারপর রাজনীতির ময়দানে তাঁকে আর সক্রিয় ভাবে দেখা যায়নি। তবে এবার অভয়ার মা রত্না দেবনাথের জয়ের পর তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের জয়ে শুভেচ্ছাবার্তা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমির
পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের জয়ে শুভেচ্ছাবার্তা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মিমির

রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। তবে রাজ্যের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিটের মধ্যে রাজ্যবাসীর নজর ছিল পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে। সেখানে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথ বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে নেমেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনোনীত তৃণমূল প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে জয়ের হাসি হাসলেন তিনি। আর তাঁর এই জয়ের পরই তাঁকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে দিলেন মিমি।

নায়িকা রত্না দেবনাথের একটি ছবি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাগ করে নিয়ে লেখেন, ‘২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথ, পানিহাটি আসনে জয়ী। এই জয়টা ব্যক্তিগত মনে হচ্ছে। কোনও জয়ই আপনার ক্ষতি পূরণ করতে পারবে না।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসককে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য তথা পুরো দেশ। রাত দখলের মিছিলে পা মিলিয়েছিলেন রাজ্যবাসী।

মিমির স্টোরি
মিমির স্টোরি

এরপর ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে রত্না দেবনাথ বিজেপিতে যোগ দেন। তখন অনেকেই একে রাজনৈতিক স্টান্ট বলেছিলেন। কিন্তু পানিহাটির মানুষের রায় প্রমাণ করে দিল, সাধারণ মানুষ রত্না দেবনাথের ব্যক্তিগত শোককে সম্মান জানিয়েছেন। তৃণমূল প্রার্থীর হার এবং রত্না দেবীর জয় রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। নিজের মেয়ের বিচারের দাবিতে ঘর ছেড়ে পথে নেমেছিলেন রত্না দেবী। এবার বিধানসভার অন্দরে তিনি সেই দাবি কতটা জোরালো করতে পারেন, সেটাই দেখার।