Mimi Chakraborty Wedding: ৩৭ বছরে আইবুড়ো নাম ঘোচাচ্ছেন মিমি, ডিসেম্বরে বিয়ে নায়িকার, পাত্র নৌসেনা অফিসার
রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্রেক আপের পর কেটেছে প্রায় এক দশক। অবশেষে বিয়ের পিঁড়ি বসছেন মিমি চক্রবর্তী। গত কয়েক বছর ধরেই ডুবে ডুবে জল খাচ্ছিলেন। ডিসেম্বরেই ছাদনা তলায় নায়িকা।
অবশেষে কি জল্পনাই সত্যি হতে চলেছে? টলিউড ইন্ডাষ্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের গুঞ্জনে সরগরম বিনোদন দুনিয়া। এতদিন যিনি নিজের সিঙ্গল স্ট্যাটাস ও কেরিয়ার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতেন, সেই মিমির বিয়ের খবর এখন নেটপাড়া থেকে টলিপাড়ার সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয়।

সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন মিমি চক্রবর্তী। জাকজমকপূর্ণ এই বিয়ের ডেস্টিনেশন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে পাহাড়ের কোলে কালিম্পংকে। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই ঘনিষ্ঠ মহলে আমন্ত্রণপত্র বিলির কাজও জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে।
কে সেই ভাগ্যবান পাত্র?
মিমি চক্রবর্তীর হবু বর কিন্তু বিনোদন জগতের বা রুপোলি পর্দার কেউ নন। পাত্র পেশায় ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) এক অফিসার, নাম সিদ্ধার্থ। বিনোদন দুনিয়ার বাইরে গিয়ে পুরোপুরি ভিন্ন পেশার এক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে জীবন গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টলি-নায়িকা।
আপ্তসহায়কের প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান ব্যস্ততা:
যদিও বিয়ের খবর নিয়ে মিমির আপ্তসহায়ক জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিক কোনও তথ্য নেই। পাত্র বা পাত্রী— দু’জনের কেউই এখনও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের প্রশ্নের উত্তরে মিমির দেওয়া ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এই বিয়ের জল্পনায় আরও ঘি ঢেলেছে।
বর্তমানে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবি এবং নিজের একাধিক নতুন কাজের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী। কিন্তু পেশাগত সেই সব ব্যস্ততার মাঝেই কি নিঃশব্দে সেজে উঠছে বিয়ের পিঁড়ি? টলিপাড়ার বড় অংশের দাবি, খুব শীঘ্রই হয়তো নিজের এই বড় খবরটি ভক্তদের সঙ্গে নিজেই ভাগ করে নেবেন মিমি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


