Mimi-Siddhartha: মিমির হবু বরের নাম সিদ্ধার্থ, সোশ্যাল মিডিয়াতেই লুকিয়ে ছিল নায়িকার সাথে তোলা ছবি

মিমি চক্রবর্তীর বরকে নিয়ে এখন উত্তেজিত তাঁর অনুরাগীরা। ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইট থেকে দূরেই রেখে এসেছেন মিমি। তবে এবার সামনে এসেছে মিমির হবু বর সিদ্ধার্থের ছবি। 

Published on: Sep 13, 2026, 11:29:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আপাতত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে টলিউডের অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে। যদিও নায়িকার আপ্ত সহায়ক একেবারেই ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু খবর রয়েছে যে, প্রস্তুতি তুঙ্গে। নভেম্বরে আইনি বিয়ে হবে। আর ডিসেম্বরে কালিম্পংয়ে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং।

মিমির বর কে?
মিমির বর কে?

নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে একেবারে লাইমলাইট থেকে দূরে রেখেছিলেন মিমি। তিনি যে প্রেম করছেন তেমন ইঙ্গিত বহু তারকার থেকে মিললেও, সেই মানুষটার পরিচয় জানা যায়নি। আপাতত খবর, মিমির হবু বর নৌসেনায় কাজ করেন। নাম সিদ্ধার্থ। আপাতত এইটুকু খবরই।

আসলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই কিন্তু এতদিন লুকিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। ২০২৫ সালের পুজোর সময় টলিপাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর তোলা একটি ফোটাতে উঁকি মারছিলেন তিনি।

এতদিন বিয়ে নিয়ে প্রশ্নে এড়িয়েই যেতেন অভিনেত্রী। বলতেন কাজ আর পোষ্যদের নিয়ে দিব্যি আছেন। ফাঁকা সময়ে কখনো রান্না করতেন, কখনো আবার গাছ লাগাতেন। তবে এসবের মাঝেই মিমির হৃদয়ে এসে কড়া নেড়েছিলেন সিদ্ধার্থ।

মিমির বর সিদ্ধার্থ।
মিমির বর সিদ্ধার্থ।

একসময় রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তাঁর প্রেম ছিল ইন্ডাস্ট্রির ওপেন সিক্রেট। ২০১২ সালে রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় আইকনিক ছবি 'বোঝেনা সে বোঝেনা'-র শুটিং চলাকালীন রাজ ও মিমির প্রেমের সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে। এরপর রাজের পরিচালনায় 'যোদ্ধা' ও 'কাটমুণ্ডু'র মতো সিনেমাতেও কাজ করেন মিমি। তবে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙে যায় ২০১৫ সাল নাগাদ। ২০১৮ সালে শুভশ্রীকে বিয়েও করে নেন রাজ। এরপর কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। পুরনো তিক্ততা ভুলেছেন দুই পক্ষই। এমনকী, রাজ-শুভশ্রীর সন্তান হওয়ার পর শুভেচ্ছাবার্তা ও উপহারও পাঠিয়েছিলেন ‘মাসি’ মিমি।

জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মিমি। ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছেন সেখানেই। ছোট পর্দা থেকে শুরু করে বড় পর্দা এবং পরবর্তীতে রাজনীতি—সবখানেই তিনি নিজের সফল পদচিহ্ন রেখেছেন। ছোটবেলা থেকেই চোখে ছিল অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় আসেন, তারপর মডেলিংয়ের শুরু। ঋতুপর্ণ ঘোষের গানের ওপারে দিয়ে ঘরে ঘরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন পুপু চরিত্রে। তাঁর বড় পর্দায় প্রথম কাজ ছিল বাপি বাড়ি যা। এরপর 'প্রলয়', 'খাদ', 'যোদ্ধা', 'গল্প হলেও সত্যি', 'পোস্ত', ‘রক্তবীজ’ এবং 'ড্রাকুলা স্যার'-এর মতো একাধিক হিট তাঁর ঝুলিতে।

এরপর সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবিতে দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁকে। তবে মিমি-ভক্তরা অপেক্ষায় নায়িকার প্রেম জীবনের গল্প শোনার। কনের সাজে কেমন লাগে দেখতে পছন্দের অভিনেত্রীকে, সেটার জন্য করতে হবে আরও মাসচারেক অপেক্ষা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More