'দাঙ্গা বাধানোর মতলব করছে ওঁরা…', শুভেন্দুর আপ্ত সহায়কের খুন নিয়ে বিস্ফোরক পাপিয়া

৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। এই ঘটনার পর থেকে উত্তাল পরিস্থিতি। এবার এই প্রসঙ্গে কথা বললেন পাপিয়া অধিকারী।

Published on: May 7, 2026, 16:45:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। এই ঘটনার পর থেকে উত্তাল পরিস্থিতি। এবার এই প্রসঙ্গে কথা বললেন পাপিয়া অধিকারী।

'দাঙ্গা বাধানোর মতলব করছে ওঁরা…', শুভেন্দুর আপ্ত সহায়কের খুন নিয়ে বিস্ফোরক পাপিয়া
'দাঙ্গা বাধানোর মতলব করছে ওঁরা…', শুভেন্দুর আপ্ত সহায়কের খুন নিয়ে বিস্ফোরক পাপিয়া

তিনি আজকাল ডট ইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ‘আমাদের এত ছেলে তবু কিন্তু আমরা শান্ত আছি। আমি বারবার ওদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। আমরা অত্যন্ত রেগে আছি তবু শান্ত আছি। আমার ছেলেদের বলে রেখেছি শান্ত থাকতে। কিছু হলে পুলিশে জানাতে। ওদের তো সরাসরি বলেছি, ’ওরা যদি পশু হয়ে কামড়ায়, আমরা কিন্তু পাল্টা কামড়াব না।' আমরা ন্যায্যভাবে জিতিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। মানুষকে দুঃখ-দুর্দশার হাত থেকে বাঁচানোর জন্যই কিন্তু আমরা এসেছি। অসভ্য-অভব্য এই দলটাকে বের করে দিয়েছি আমরা।'

তিনি আরও বলেন, 'আর দু'দিন পরে আমাদের শপথগ্রহণ। সরকার গঠনের আগেই এসব করছে তৃণমূল! আমরা তো শুনতে পাচ্ছি, দাঙ্গা বাধানোর মতলব করছে ওঁরা! একদম দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করছেন ওঁরা। ওঁদের দলের বড়-বড় যে নেতারা তাঁরা তো সব লুকিয়ে পড়েছেন। তারপর দাঙ্গা বাধিয়ে দিয়ে সামনে এসে বলবে -দেখুন, দাঙ্গা-দাঙ্গা-দাঙ্গা! এত অসভ্য... এত জঙ্গুলে স্বভাব তবে আমরা কিন্তু শক্ত হাতে দমন করে রেখেছি আমাদের ছেলেদের। আমরা কিন্তু কিছু করছি না। তার মানে এই নয় যে আমরা কিছু পারি না। আসলে, হেরে গিয়ে এসব করছে না। এখনও হিংসার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।'

পাপিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এসবের পরেও মমতা বলছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে। চেয়ার ধরে এবার গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হবে!’

রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০ টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে মধ্যমগ্রামে তাঁর গাড়ি থামিয়ে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তাঁর বুকে ২টি গুলি লেগেছিল। সেগুলি হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বুদ্ধদেবকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।