Bigg Boss Bangla: ‘হাত ওমনি করা ছেলে..’, লাফটারসেনের সেক্সুয়ালিটি নিয়ে কটাক্ষ জয়িতার, ধুন্ধমার সায়কের সাথেও

তরমুজ খাওয়া নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। নিরঞ্জন মণ্ডল ওরফে লাফটারসেনের যৌনতা নিয়ে জয়িতা কটাক্ষ করতেই প্রতিবাদে সরব ভক্তরা।

Published on: Sep 2, 2026, 21:08:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’-র অন্দরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর লাফটার সেন (Laughtersane)-এর সেক্সুয়ালিটি ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে সহ-প্রতিযোগী জয়িতা চট্টোপাধ্য়ায়ের করা মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম বিতর্ক। জয়িতার এই আচরণকে কুরুচিকর আখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন লাফটার সেনের অগণিত অনুরাগী ও সাধারণ দর্শকরা।

‘হাত ওমনি করা ছেলে..’, লাফটারসেনের সেক্সুয়ালিটি নিয়ে কটাক্ষ জয়িতার, ধুন্ধমার সায়কের সাথেও
‘হাত ওমনি করা ছেলে..’, লাফটারসেনের সেক্সুয়ালিটি নিয়ে কটাক্ষ জয়িতার, ধুন্ধমার সায়কের সাথেও

কী ঘটেছিল বিগ বসের ঘরে?

শোয়ের একটি পর্বে কনন্টেন্ট ক্রিয়েটর লাফটার সেন জয়িতাকে হাইজেন বজায় রেখে ফল কটার অনুরোধ করে। তিনি জানান, খোলা হাতে জয়িতা তরমুজ কাটায়, তিনি ফল খেতে পারেননি। জয়িতা সাফ জানান, তিনি হাত ধুয়ে ওয়াটারমেলন (তরমুজ) কেটেছেন। বিগ বস গ্লাভস দেয়নি, সুতরাং তাঁর পক্ষে বাড়তি কিছু করা সম্ভব নয়। এতেও থামেনি বিতর্ক। পরে লাফটারসেন (নিরঞ্জন মণ্ডল)কে নিয়ে কথা বলবার সময়, তাঁর নাম উল্লেখ না করে তাঁকে ‘ওই অমনি হাত করা ছেলেটা’ (মেয়েলি বা গে হওয়ার ইঙ্গিত) বলে উপহাস করার পাশাপাশি নিজেকে অত্যন্ত ‘হাই ক্লাস’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন জয়িতা। গোটা ঘটনা ঘটে রান্নাঘরে মানামীর সামনে। নায়িকা অবশ্য সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ওইভাবে তিনি কাউকে সম্বোধন করতে পারেন না।

বিতর্ক ও নেটিজেনদের ক্ষোভের কারণ:

নেটিজেনদের একাংশ আঙুল তুলেছেন জয়িতার ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের দিকে। সৃজলাপ সঙ্গে কথোপকথনের সময় যিনি ছেলে-মেয়ের সমতা, পুরুষদের সামাজিক চাপ ও প্রোগ্রেসিভ চিন্তা নিয়ে কথা বলছিলেন, তিনি নিজেই কীভাবে অন্য একজন ক্রিয়েটরের সেক্সুয়ালিটি নিয়ে প্রকাশ্যে ঠাট্টা করতে পারেন?

আসল ‘ক্লাস’ আচরণে: ভক্তদের মতে, নিজেকে ‘হাই ক্লাস’ দাবি করলেই ক্লাস প্রমাণ হয় না, বরং অন্যকে কীভাবে সম্মান দেওয়া হচ্ছে সেটাই আসল পরিচয়। কাউকে ছোট করে হাসানো কোনও ব্যক্তিত্বের লক্ষণ নয়।

কলকাতা থেকে কান-এর যাত্রা: জয়িতা না চিনলেও লাফটার সেন কেবল একজন সাধারণ ক্রিয়েটর নন। ‘মিচো সিরিজ’, ‘মিতাশ্রী আন্টি’, ‘বাাবলু’, ‘মেজো বউ’ ও ‘ছোট বউ’-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্রের মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ মানুষের আবেগ হয়ে উঠেছেন। তাঁর কন্টেন্টে হাসির অন্তরালে থাকে বাস্তবসম্মত বার্তা। পাশাপাশি, সম্প্রতি হইচই-এর ‘বীরঙ্গনা’ সিরিজ থেকে শুরু করে ‘কলকাতা টু কান’ (Cannes)-এর যে সাফল্য তিনি অর্জন করেছেন, তার নেপথ্যে রয়েছে কঠিন পরিশ্রম ও প্রতিভা, সে কথা মনে করান তাঁর ভক্তরা।

প্রসঙ্গত, নিজের সেক্সুয়ালিটি কোনওদিনই লুকোননি নিরঞ্জন। নিজের সমকামিতা কিংবা প্রেমিক থাকার কথাও তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। শুধু লাফটার সেন নয়, অপর ইনফ্লুয়েন্সার তথা অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক অভিযোগ জয়িতার।

বুধবারের প্রোমোতে দেখা গিয়েছে, জয়িতা সরাসরি অভিযোগ করছেন- ‘সায়ক আমাকে ফিজিক্যালি অ্য়াবিউস করেছে, তুমি একটা মেয়েকে আঘাত করতে পারো না’।

প্রোমোতে দেখা গিয়েছে কোনও একটা জিনিস নিয়ে কাড়াকাড়ি চলছিল সায়ক ও জয়িতার মধ্যে। সায়ক জানান, ‘কোথায় অ্য়াবিউস করলাম? কাকে বলে অ্যাবিউস করা, আমার রক্ত এখনও বেরোচ্ছে’। এই ঝামেলার শেষ কোথায়? সেটাই দেখবার।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More