Antara Mitra Husband: ‘ইন্টারনেটের সব খবর সত্যি নয়!’ বরের পরিচয় নিয়ে ভুয়ো তথ্য, বিরক্ত সারেগমাপা-র অন্তরা মিত্র!

‘লয়ারদের কাজকম্ম আমার মগজে কিছু ঢোকে না’, স্বামীর পেশা নিয়ে ভুল তথ্যই জানে সকলে, শুধরে দিলেন অন্তরা মিত্র।

Published on: Jul 20, 2026, 10:30:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেটের যুগে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা হওয়া নতুন কিছু নয়। তবে সেই চর্চায় যখন সম্পূর্ণ ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, তখন বাধ্য হয়েই মুখ খুলতে হয় সেলিব্রিটিদের। এবার ঠিক তেমনই এক কাণ্ড ঘটল জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’-র বিচারক তথা জনপ্রিয় গায়িকা অন্তরা মিত্রর সাথে।

‘ইন্টারনেটের সব খবর সত্যি নয়!’ বরের পরিচয় নিয়ে ভুয়ো তথ্য, বিরক্ত সারেগমাপা-র অন্তরা মৈত্র!‘ইন্টারনেটের সব খবর সত্যি নয়!’ বরের পরিচয় নিয়ে ভুয়ো তথ্য, বিরক্ত সারেগমাপা-র অন্তরা মৈত্র!
‘ইন্টারনেটের সব খবর সত্যি নয়!’ বরের পরিচয় নিয়ে ভুয়ো তথ্য, বিরক্ত সারেগমাপা-র অন্তরা মৈত্র!‘ইন্টারনেটের সব খবর সত্যি নয়!’ বরের পরিচয় নিয়ে ভুয়ো তথ্য, বিরক্ত সারেগমাপা-র অন্তরা মৈত্র!

দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট জুড়ে তাঁর স্বামী শৌর্যকে নিয়ে চলা একটি মস্ত বড় ভুল তথ্য অবশেষে শুধরে দিলেন গায়িকা। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ওঁর বর কোনো আইটি (IT) কর্মী নন, বরং তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং একটি অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ পেশার সঙ্গে যুক্ত।

‘আইটি কর্মী নন, শৌর্য একজন করপোরেট লয়ার’

অন্তরা জানিয়েছেন যে, তাঁদের বিয়ের পর থেকেই ইন্টারনেটের প্রায় সব জায়গায় ওঁর স্বামীকে তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি কোম্পানির কর্মী হিসেবে দেখানো হয়েছে। এমনকি তিনি ব্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা বলেও ভুয়ো খবর রটেছিল।

এই ভুল ভাঙতে গিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অন্তরা লেখেন, ‘কথা প্রসঙ্গে বলে রাখি, শৌর্য একজন করপোরেট ল-ইয়ার। একটি প্রসিদ্ধ ল’ ফার্মে ও একজন পার্টনার। এবং প্রায় ২০ বছর ধরে ও মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। যদিও আমাদের বিয়ের পর মোটামুটি সব জায়গায় ওকে আইটি কোম্পানিতে চাকরিরত এবং ব্যাঙ্গালোরবাসী বলা হয়েছে— তা কিন্তু একেবারেই নয়।’

'লয়ারদের কাজ আমার মগজে ঢোকে না!'

স্বামীর কঠিন ও ব্যস্ত পেশা নিয়ে মৃদু রসিকতা করতেও ছাড়েননি গায়িকা। তিনি জানান, শৌর্যের কাজের চাপ এতটাই বেশি যে সারা সপ্তাহ জুড়েই ওঁর ব্যস্ততা থাকে। তারই মধ্যে কিছুটা সময় বের করে তাঁরা একটু এদিক-ওদিক ঘুরতে যান।

আইনি দুনিয়ার জটিলতা নিয়ে অন্তরা হাসিমুখে বলেন, ‘লয়ারদের কাজকম্ম আমার মগজে কিছু ঢোকে না! তবে এটুকু বুঝতে পারি, প্রচণ্ড দায়িত্বের সাথে কাজ করতে হয়, এখানে ফাঁকি দেবার কোনো উপায় নেই।’

ইন্টারনেটকে অন্ধ বিশ্বাস করার পরিণাম

মছলন্দপুরের মেয়ে অন্তরা গত বছর নভেম্বরেই সাত পাকে বাঁধা পড়েন। গেরুয়া গায়িকা মাঝেমধ্য়েই নিজের দাম্পত্য় জীবনের টুকরো ঝলক তুলে ধরেন সোশ্য়াল মিডিয়ায়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নেটনাগরিকদের উদ্দেশ্যে একটি জরুরি বার্তাও দিয়েছেন সারেগামাপার বিচারক। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, উইকিপিডিয়া বা ইন্টারনেটে যা কিছু লেখা থাকে, চোখ বন্ধ করে তা বিশ্বাস করা উচিত নয়। ওঁর ভাষায়— ‘এই কারণে আমি বলি, ইন্টারনেটে আমরা যা যা পড়ি সব কিছুই ঠিক এমনটা নয়।’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More