Anurag Kashyap: ‘মা বলে অনুরাগ ছাগল, আমার কথায় ওঠে-বসে’, ২০ বছরের ছোট সঙ্গী শুভ্রার মা'ও বয়সে ছোট পরিচালকের থেকে!
মেয়ের ২০ বছরের বড় প্রেমিককে নিয়ে কোনও ছুৎমার্গ নেই শুভ্রার পরিবারের। অনুরাগের দু-বার ডিভোর্সি স্ট্যাটাসও সহজে মেনে নিয়েছেন শুভ্রা শেট্টির বাবা-মা।
দুই দুটো বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর বলিউডের খ্যাতিমান পরিচালক অনুরাগ কশ্যপ (Anurag Kashyap)-এর জীবনে ভালোবাসার নতুন হাওয়া এনেছেন শুভ্রা শেট্টি (Shubhra Shetty)। বয়স এবং সমাজের চেনা ছক ভুলে দীর্ঘদিন ধরেই লিভ ইন করেন তাঁরা। বিয়ে করতে রাজি নন শুভ্রা, ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁর বিশ্বাস নেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক ও তাঁর প্রেমিকা শুভ্রা নিজেদের সম্পর্কের শুরু, বয়সের ব্যবধান এবং পরিবারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মনের কথা শেয়ার করেছেন।

বয়সের ফারাক ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া
শুভ্রার চেয়ে অনুরাগ কশ্যপ বয়সে ২০ বছরের বড়। পরিচালকের বর্তমান বয়স ৫৩, অন্যদিকে শুভ্রা ত্রিশের কোঠায়। মজার বিষয় হলো, শুভ্রার মা-বাবা বয়সে অনুরাগীর চেয়ে দুই-তিন বছরের ছোট!
শুভ্রা জানান, সম্পর্কের কথা শুনে তাঁর বাবা-মা একেবারেই অমত করেননি, বরং সরাসরি অনুরাগীর সঙ্গে দেখা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। শুভ্রা হেসে বলেন, ‘আমার মা অনুরাগকে ’ছাগল' (Bakra) বলে ডাকে! মা মনে করে ও আমার কথাতেই ওঠে আর বসে, একবারে বাধ্য স্বামী!'
অনুরাগ কশ্যপ জানান, শুভ্রার মা-বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখন বন্ধুদের মতো। ২০১৫-১৬ সালের দিকে ‘বোম্বে ভেলভেট’ ছবিটির মুক্তির আগে ফ্যান্টম ফিল্মস (Phantom Films)-এ কাজের সূত্রে তাঁদের প্রথম দেখা হয়। তখন থেকেই একে অপরের কাছাকাছি আসা।
বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা নেই
অনুরাগীর প্রেমিকা শুভ্রা নিজে বিয়েতে বিশ্বাসী নন। সেই কারণেই দু’জন একসঙ্গে থাকলেও নতুন করে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কোনও পরিকল্পনা নেই তাঁদের।
এর আগে অনুরাগ কশ্যপের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ফিল্ম এডিটর আরতি বাজাজ-এর সঙ্গে (২০০৩-২০০৯), যাঁদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে— আলিয়া কশ্যপ। গত বছরই মেয়ের বিয়ে দেন অনুরাগ। এরপর ২০১১ সালে তিনি অভিনেত্রী কাল্কি কোয়েচলিন (Kalki Koechlin)-কে বিয়ে করেন, তবে সেই সংসারও ২০১৫ সালে ভেঙে যায়। তবে প্রাক্তন স্ত্রীদের সাথে এখনও সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে অনুরাগের।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


