Anwessha Dutta Gupta: ‘মাকে বলা হয়েছিল আমার নামে বানিয়ে বানিয়ে…’! রিয়েলিটি শো নিয়ে বিস্ফোরক অন্বেষা

মাত্র ১৩ বছর বয়সে রিয়ালিটি শো এ অনবদ্য গান গেয়ে নিজের প্রতিভা সকলের সামনে তুলে ধরেছিলেন বাংলার এই কৃতি সন্তান। আমূল স্টার ভয়েজ অফ ইন্ডিয়া: ছোটে উস্তাদ-এর ফাইনালে পৌঁছেছিলেন অন্বেষা দত্ত গুপ্ত। সম্প্রতি রিয়েলিটি শো নিয়ে করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য। 

Published on: Jul 14, 2026, 20:45:50 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সঙ্গীতশিল্পী অন্বেষা দত্তগুপ্ত সকলের কাছে পরিচিত নাম। কোঁকড়া চুল, মিষ্টি হাসি, মিতভাষী গায়িকার গানের অনুরাগী রয়েছে বহু। সঙ্গে স্টাইলিংয়ের জন্যও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। গানের পাশাপাশি তিনি নাম লিখিয়েছেন অভিনয়েও। মাত্র ১৩ বছর বয়সে রিয়ালিটি শো এ অনবদ্য গান গেয়ে নিজের প্রতিভা সকলের সামনে তুলে ধরেছিলেন বাংলার এই কৃতি সন্তান। শুধু বাংলা নয়, হিন্দি, কন্নড়, তামিল এবং মারাঠি ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি।

অন্বেষা দত্তগুপ্ত
অন্বেষা দত্তগুপ্ত

২০০৮ সালে আমূল স্টার ভয়েজ অফ ইন্ডিয়া: ছোটে উস্তাদ-এর ফাইনালে পৌঁছেছিলেন অন্বেষা। নিজের গায়িকি দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেন, পৌঁছন ফাইনালেও, কিন্তু ট্রফি জিততে পারেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক দাবি করলেন অন্বেষা। জানালেন যে, তিনি যখন রিয়েলিটি শো-তে ভাগ নিয়েছিলেন, তখন সেখান থেকে তাঁর পরিবারকে বলা হয়েছিল মুখোরোচক গল্প শোনাতে। অন্বেষার দাবি, শুধু মাত্র মেয়েকে জনপ্রিয় করতে, বানিয়ে বানিয়ে গল্প শোনাতে রাজি হননি তাঁর মা।

অন্বেষা বলেন, ‘আমি যখন রিয়েলিটি শো-তে গেছিলাম, তখন আমার মাকেও স্ক্রিপ্টেড কথাবার্তা বলতে বলা হয়েছিল। মা খুব সাহসী তাই বলেনি। মা বলেছিল, আমি আমাদের ব্যাপারে কোনো মুখোরোচক গল্প বানিয়ে আপনাদের বলতে পারব না। আমার মেয়ে যদি গান গাইতে পারে কম্পিটিশনে থাকবে, না হলে আউট করে দেবেন, সোজা হিসেব। মা এরকম করেনি, কিন্তু সেই সাহস তো সবার থাকে না।’

'গোলমাল রিটার্নস' ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্লেব্যাক শুরু করেন। বর্তমানে তিনি হিন্দি, বাংলা, কন্নড় ও তামিলসহ বিভিন্ন ভাষায় ৫০০টিরও বেশি গান গেয়েছেন। প্লে ব্যাকের পাশাপাশি, অন্বেষা কাজ করেছেন সংগীত পরিচালক হিসাবেও। প্রথম কাজ ছিল ২০১৯ সালের সিনেমা ‘লাইম অ্যান্ড লাইট’। সঙ্গে মিউজিকাল সিনেমা ‘হামসাজ’- এ অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল অন্বেষাকে। সৌমজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত এই সিনেমায় মোহাম্মদ ইকবালের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

অন্বেষা ১৯৯৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের কাছাকাছি ভিরার-এ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বয়স যখন মাত্র ৩ বছর, তখন তাঁর পরিবার পাকাপাকিভাবে কলকাতায় চলে আসে। গলফ গ্রিনে থাকতেন তাঁরা। অন্বেষার মা মিতা দত্তগুপ্ত নিজেও একজন গায়িকা ছিলেন। অন্বেষার ভেতরের সুর ও তালের জ্ঞান প্রথম তাঁর মা-ই আবিষ্কার করেন। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীতের হাতেখড়ি। মাত্র ৪ বছর বয়স থেকে তিনি গুরু শ্রী জয়ন্ত সরকারের কাছে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রথাগত তালিম নেওয়া শুরু। ২০০৭ সালে ভাগ নেন জি বাংলা সারেগামাপা জুনিয়রস-এ। এখানেও ফাইনালে পৌঁছেছিলেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More