‘আমি অপমানিত বোধ করছি…’, কনসার্টে মোবাইলে ভিডিয়ো তুলছে মহিলা, বকা দিলেন নচিকেতা

কনসার্ট চলাকালীন এক মহিলার মোবাইলে ভিডিয়ো তোলা নিয়ে রেগে বোম হন তিনি। শুধু তাই নয়, গান থামিয়ে রীতিমতো বকাঝকাও করেন ওই মহিলাকে।

Published on: Sep 2, 2026, 15:23:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি নচিকেতা চক্রবর্তীর একটি ভিডিয়ো অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, তাঁর এক কনসার্ট চলাকালীন এক মহিলার মোবাইলে ভিডিয়ো তোলা নিয়ে রেগে বোম হন তিনি। শুধু তাই নয়, গান থামিয়ে রীতিমতো বকাঝকাও করেন ওই মহিলাকে।

নচিকেতা চক্রবর্তী।
নচিকেতা চক্রবর্তী।

ভিডিয়োতে দেখা যায় নচিকেতা বলছেন, ‘বৌদি ফোনটা রাখুন না। ফোনটা নিয়ে কী করবে যেন ভেবেই পাচ্ছে না। এরবার এরকম তুলছেন, আরেকবার ওরকম তুলছেন। গান শুনতে এসেছেন তো। আমি হাত জোড় করে ভভদ্রাবে বলছি। প্লিজ এটা করবেন না। আমি অপমানিত বোধ করছি।’

‘অনেক টাকা দিয়ে নিয়ে এসেছে লোকগুলো আমায়। আপনার হয়তো টাকা আছে। এদের নেই। প্রচুর লোক এখানে আছে যারা অনেক কষ্ট করে আমার গান শুনতে এসেছে। আপনি আমাকে এইভাবে অপমান করতে পারেন না।’, আরও বলেন নচিকেতা।

তবে দেখা গেল নচিকেতার এই রাগ ও বিরক্তির সাথে সহমত পোষণ করেছে নেটপাড়াও। এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘এটাই দরকার ছিল,বর্তমান সময়ে কনসার্টে গান শুনতে যায় না, ভিডিও করতে যায় সবাই। আগে সবাই গান শুনত,আর এখন সবাই ফুটেজ ব্যবসায়ী।’ আরেকজন লিখলেন, ‘আমি শ্রেয়া ঘোষাল এর কনসার্ট, নিক্কো পার্ক লন এ দেখলাম, কিছুদিন আগে। এত দাম দিয়ে টিকিট কেটে, প্রায় ৫০ % শ্রোতা একটা গানও মন দিয়ে শুনলেন না, মোবাইলে সেলফি আর লাইভে সবাইকে দেখানো যে, আমি এই কনসার্ট দেখছি।’

আবার আরেকজন লিখেছেন, ‘আমি আমার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে দেখতে এসেছি। গান শুনি না শুনি, ফোনে ভিডিয়ো করি, যতক্ষণ কাওকে বিরক্ত না করছি, ততক্ষণ তো গায়কের সমস্যা হওয়া উচিত নয়।’ আরেকজন আবার নচিকেতাকে পালটা কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘কেবল আমি চটি চাটবো এটাই ছিল অ্যাম্বিশান। পদ্মপাতায় কখন চড়ব সেটাই পরের অ্যাম্বিশান।’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More