নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে তনুশ্রী দত্তের বিতর্কিত মন্তব্য, এবার মুখ খুললেন অভিনেতার ছেলে মালহার
নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর ঘিরে তনুশ্রী দত্তের একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্যে শুরু হয়েছে চর্চা। অভিনেতাকে ‘শয়তান’ বলার পাশাপাশি তাঁর মৃত্যু নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তনুশ্রী। এবার সেই সমস্ত মন্তব্যের জবাব দিলেন নানা পাটেকরের ছেলে মালহার পাটেকর। জানালেন, সংশ্লিষ্ট মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ৮ অক্টোবর গোয়ায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে বিনোদন জগতে। তবে অভিনেতার মৃত্যুর পর তনুশ্রী দত্তের একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় নতুন আলোচনা। এবার সেই সমস্ত মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন নানা পাটেকরের ছেলে মালহার পাটেকর।

তনুশ্রী দত্তকে কী জবাব দিলেন মালহার পাটেকর?
‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে কারও নাম উল্লেখ না করেই তনুশ্রীর মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন মালহার। তাঁর কথায়, ‘কারও নাম না করেই বলতে চাই, যে মামলাটি নিয়ে অকারণে এত আলোচনা করা হচ্ছে, সেটির নিষ্পত্তি আগেই হয়ে গিয়েছে। বিচারব্যবস্থার তরফেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে। মামলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কিছু মানুষ কথা বলে চলেছেন। তাঁদের নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। সত্যি যা, তা সত্যিই থাকবে। ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন।’
নানা পাটেকরকে ‘ইভিল ডেড’ বলেছিলেন তনুশ্রী
নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর যখন সামনে আসে, তখন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লখনউ যাচ্ছিলেন তনুশ্রী দত্ত। সেই সময় একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিনেতার উদ্দেশে ‘ইভিল ডেড’ শব্দটি ব্যবহার করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক।
নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে কী বলেছিলেন অভিনেত্রী?
তনুশ্রীর মন্তব্যের সমালোচনা শুরু হলে তিনি আরও একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে নানা পাটেকরের মৃত্যু নিয়ে আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। তাঁর দাবি ছিল, নানা পাটেকরের মৃত্যু তাঁর কাছে কোনও অলৌকিক ঘটনার চেয়ে কম নয়।
নানা পাটেকরকে নিয়ে একাধিক অভিযোগ তনুশ্রীর
নানা পাটেকরকে ‘শয়তান’ বলেও আক্রমণ করেছিলেন তনুশ্রী। তাঁর অভিযোগ, বারাণসীতে এক শিশুকে চড় মেরেছিলেন নানা পাটেকর। পরে সংবাদমাধ্যমে অভিনেতা দাবি করেন, ঘটনাটি শুটিংয়ের অংশ ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ওই শিশু সত্যিটা জানিয়েছিল বলে দাবি করেন তনুশ্রী।
এছাড়াও বলিউডের একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে নানা পাটেকর দুর্ব্যবহার ও মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল নানা পাটেকরের?
৮ অক্টোবর সকালে নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। বাবার শেষ সময়ের কথা বলতে গিয়ে মালহার জানান, অভিনেতা তখন গোয়ায় ছিলেন। মালহারের কথায়, তাঁর বাবা ইন্ডাস্ট্রির কাজকর্ম দেখাশোনা করা তাঁর এক আত্মীয় প্রসাদকে মুম্বই পাঠিয়েছিলেন। কারণ, নানা পাটেকরের মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র শুটিং করার কথা ছিল।
বাবার স্বভাবের কথা বলতে গিয়ে মালহার জানান, নানা পাটেকর কখনও কাউকে অযথা বিরক্ত করতে চাইতেন না। শারীরিক অস্বস্তি বোধ করার পর প্রথমে তিনি মেসেজ করেন এবং কিছুক্ষণ পর ফোনও করেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁর কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।
সেই সময় মালহার পুণেতে ছিলেন। তাঁর কথায়, ‘ভোর পাঁচটা নাগাদ মায়ের ফোন আসে। তারপর কী হয়েছিল, তার আর কিছু মনে নেই। মনে হচ্ছিল, আমার চারপাশের পুরো পৃথিবীটা যেন থমকে গিয়েছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


