‘মেয়ের কথাই আমার কাছে শেষ কথা…’! বিগ বসে প্রেম জমে ক্ষীর, জামাই হিসেবে রাজবীর কতটা পছন্দ? মুখ খুললেন নন্দিনীর বাবা
বিগ বসের ঘরে রাজবীর দে ও নন্দিনী দত্তের মধ্যেকার ঝগড়া, খুনসুটি, আদর, রোম্যান্স দেখে অনেকেই তুলনা করছেন সিদ্ধার্থ-শেহনাজের সঙ্গে। এবার প্রেমচর্চায় মুখ খুললেন নন্দিনীর বাবা।
বিগ বস বাংলা-র ঘরে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন রাজবীর দে আর নন্দিনী দত্ত। অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে ঝগড়া-লড়াই তো লেগেই আছে, সঙ্গে দুজনের রসায়ন নিয়েও যত বলা হয়, ততই যেন কম। দুজনের মধ্যে ঝগড়া, খুনসুটি, আদর, রোম্যান্সের সঙ্গে অনেকেই তুলনা করছেন সিদ্ধার্থ-শেহনাজের।

তবে নন্দিনী আর রাজবীর দুজনকে নিয়ে বিতর্ক। যদিও কনে দেখা আলো অভিনেত্রীর হয়ে ইতিমধ্যেই আসরে নেমেছেন তাঁর বাবা। জানালেন, মেয়ের পর বিগ বস বাংলা-র ঘরে কেউ যদি তার সবচেয়ে প্রিয় হয় তবে তা হল রাজবীর। সঙ্গে নন্দিনী আর রাজবীরের প্রেম নিয়েও খুললেন মুখ।
নন্দিনীর বাবার কাছে টলি ভিশনের থেকে জানতে চাওয়া হয়, জামাই হিসেবে রাজবীরকে তাঁর কতটা পছন্দ। শুনেই জিভ কেটে অভিনেত্রীর বাবা বলেন, ‘এই প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারব না। এমনিতেই আমার বউয়ের হাতের রাজনন্দিনী ট্যাটু খুব ভাইরাল হয়েছে। ওটা বোধহয় ও করেছে ২০১৪-১৫ সালে। এবার ও রাজনন্দিনী লিখেছিল। নন্দিনী-র সঙ্গে রাজ জুড়ে। ওটা এমনি বাংলায় খুব চর্চিত একটা শব্দ। আমরা সবাই তো মেয়েকে বলি, রাজনন্দিনী করে রাখব।’
তবে নন্দিনীর বাবা আরও স্পষ্ট করলেন, ‘কী হবে জানি না। এটা তো বিগ বসের গেম। কোনো সময় কাওকে কারও ভালো লাগতে পারে। কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব হতে পারে। আর ভবিষ্যতে গিয়ে যদি কিছু হয়, আমার মেয়ে যা চাইবে তা হবে, আমার মেয়ের কথাই আমার কাছে শেষ কথা।’
নন্দিনীর বাবার কাছে জানতে চাওয়া হয়, মেয়ে ছাড়া বিগ বস হাউজে তাঁর পছন্দের প্রতিযোগী কে? তাতে জবাব আসে, ‘নন্দিনীর পর আমার প্রিয় প্রতিযোগী রাজবীর। রাজবীর ভালো খেলছে, নন্দিনী ভালো খেলছে। এরা দুজনেই তো ভালো খেলছে। তনুশ্রী প্রথমে ভালো শুরু করেছিল। এখন ঝিমিয়ে পড়েছে। তবে স্ট্রং প্লেয়াক। দুর্নিবার দারুণ মাইন্ড গেম খেলছে। ওর তো চোখমুখ দেখলেই বোঝা যায়। এছাড়া জীতু দা আছে, অনুষ্কাও বেশ ধামাকা নিয়ে ঘরে ঢুকেছে।’
রবিবারের এপিসোডেই দেখা যায় যে, রাজবীরকে প্রপোজ করেন নন্দিনী। এমনকী, শুধু বিগ বস চলাকালীন নয়, ঘরের বাইরে গিয়েও দুজনকে একসঙ্গে থাকার কথা বলতে শোনা যায়। মাঝে, অনুষ্কার কথায় দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হলে মনামীর পাশে বসে চোখের জল ফেলতেও দেখা যায় রাজবীরকে। এমনকী, জীতুর কাছে গিয়েও নন্দিনী কথা বলেন, তাঁর আর রাজবীরকে নিয়ে। যাতে জীতু দরাজ গলায় সার্টিফিকেট দিয়ে বলেন, নন্দিনীর প্রতি রাজবীরের ইমোশন তাঁর একটুও ফেক মনে হয় না।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


