‘কিছু সীমারেখা অতিক্রম করা…’! বিগ বস বাংলা থেকে বিদায় নিয়েই ফেসবুকে সরব নন্দিনী, যদিও খুললেন না রাজবীরের ব্রেসলেট
সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি, এর আগে সৃজলাকে টাস্কচলাকালীন ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়া, একাধিক কাণ্ড ঘটিয়েছেন নন্দিনী। তবে রাজবীরের গায়ে হাত তোলার জন্য বিগ বস বাংলা থেকে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়।
শনিবার বিগ বসের ঘর থেকে দাদার দরবারে চলাকালীন বিদায় নেন নন্দিনী দত্ত। বলা চলে, রাজবীরের গায়ে হাত তোলার জন্য রীতিমতো তাঁকে বিগ বস বাংলা থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই নন্দিনীর গায়ে সেঁটেছে ‘টক্সিক প্রেমিকা’র ট্যাগ। সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি, এর আগে সৃজলাকে টাস্কচলাকালীন ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়া, একাধিক কাণ্ড ঘটিয়েছেন নন্দিনী। এমনকী, রাজবীরের গায়ে তিনি ক্রমাগত হাতও তোলেন ঝগড়ার সময়ে।

শনিবার রাতে কলকাতায় ফিরলেন নন্দিনী। সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন নিজের অনুরাগীদের জন্য একটি দীর্ঘ নোট। লিখলেন, ‘বিগ বসের বাড়ির ভিতরে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে আমি কিছু কথা বলতে চাই। পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, আবেগের বহিঃপ্রকাশও ঘটেছিল প্রবলভাবে। দুর্ভাগ্যবশত, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যায়, যা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। নিজের সেই আচরণের দায় আমি স্বীকার করছি এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।’
‘আমি বরাবরই এমন একজন মানুষ, যে নিজের আবেগ প্রকাশ করতে দ্বিধা করে না, মনের কথা স্পষ্টভাবে বলে এবং নিজের অধিকারের জন্য সরব হয়। তবে এটাও বুঝি, কিছু সীমারেখা কখনোই অতিক্রম করা উচিত নয়। সেই ঘটনার জন্য এবং আমার আচরণে যাঁর মনে আঘাত লেগেছে, সেই সহ-প্রতিযোগী তথা আমার সঙ্গীর কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। এই যাত্রা আমার কাছে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা, সমর্থন ও উৎসাহ দিয়েছেন, তার জন্য আমি প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি এগিয়ে যেতে চাই। জীবনের এই অধ্যায়কে সঙ্গে নিয়েই মাথা উঁচু করে সামনে এগিয়ে যাব। আমার পাশে থাকার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’, আরও লেখেন নন্দিনী।
এদিকে শনিবার মেয়েকে এয়ারপোর্ট থেকে আনতে যান নন্দিনীর বাবা-মা ও তাঁর দুই পোষ্য। আড়াই মাসের বিগ বস সফর শেষে মেয়েকে পেয়ে আনন্দিত ছিলেন দুজনেই। এমনকী, মেয়েকে নিয়ে গর্বের সুর ধরা পড়ল তাঁদের গলাতে। বিমানবন্দরে বাবাকে দেখামাত্রই জড়িয়ে ধরেন নন্দিনী। মেয়েকে জড়িয়ে ধরে রীতিমতো ‘কুইন’, ‘কুইন’ বলে চিৎকার করেন। মেয়ের এই বিদায় যে তাঁদের কাছে অপ্রত্যাশিত তা জানান সাংবাদিকদের।
বিগ বসের বাড়িতে রাজবীরের গায়ে হাত তোলার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নন্দিনীর বাবার যুক্তি, এমন ঘটনা প্রায় সব পরিবারেই হয়। রাজবীরকে ভালোবাসে নন্দিনী। সেই ভালোবাসা থেকেই অধিকারবোধ তৈরি হয়েছে। আর সেই কারণেই এমন আচরণ করেছে সে।
যদিও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নন্দিনী বলেন, বিগ বস বাংলার ঘর থেকে বিদায় নিতে হলেও, রাজবীরের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এখনো অটুট। এমনকী উইনার হিসেবেই দেখতে চান রাজবীরক। শুধু তাই নয়, হাতে রাজবীরের সেই ব্রেসলেটটিও পরে ছিলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


