রণবীর-আলিয়ার বিয়ের পর এই কাজ কখনোই করেন না ‘কুল শাশুড়ি’ নীতু, শেখালেন সবক
নীতু কাপুরের ভিডিয়ো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যেখানে তিনি, ছেলে আর বউমাকে স্পেস দেওয়ার কথা বলেছেন। আর যা শুনে নেটপাড়া তাঁকে দিয়েছে ‘কুল শাশুড়ি’র তকমা।
আলিয়া ভাটের শাশুড়ি এবং রণবীর কাপুরের মা, নীতু কাপুরকে আজকাল দেওয়া হয়েছে ‘কুল শাশুড়ি’-র তকমা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নীতু এমন কিছু বললেন, যা ফের জিতে নিল নেটপাড়ার মন। রণবীরের মা, অর্থাৎ আলিয়ার শাশুড়ি, ব্যাখ্যা করেছেন কেন একই বিল্ডিংয়ে থাকা সত্ত্বেও তিনি আলিয়া এবং রণবীরের জীবনে হস্তক্ষেপ করেন না। শুধু তাই নয়, তিনি আলিয়া ও রণবীরের প্যারেন্টিংয়েরও প্রশংসা করেন।

সোহা আলি খানের পডকাস্টে নীতু বলেন, ‘রণবীর একজন অসাধারণ বাবা, এবং আলিয়াও অসাধারণ। দুজনেই চমৎকার অভিভাবক। তাঁরা দুজনেই খুব ব্যস্ত এবং তাঁদের অনেক কাজ থাকে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁরা তাঁদের সন্তানদের জন্য সময় বের করেন এবং ওর যত্ন নেন।’
‘ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করি না’: নীতু
আলিয়া এবং রণবীরের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন নীতু। ঋষি-পত্নী জানান, ‘আমার মনে হয়, ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয়ে গেলে তাদের একা ছেড়ে দেওয়া উচিত। আমি আমার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে একই বিল্ডিংয়ে থাকি, কিন্তু আমি যেখানে খুশি সেখানে যাই না। আমি তাদের নিজেদের মতো থাকতে দেই।’
নীতু আরও জানান যে, মেয়ে ঋদ্ধিমা কাপুরের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি তাঁর জীবনে হস্তক্ষেপ করেননি। তিনি বলেন, ‘যখন ঋদ্ধিমার বিয়ে হল, আমি ঋষিজিকে বলেছিলাম ওকে প্রতিদিন ফোন না করতে। আমি বলেছিলাম যে ঋদ্ধিমার এখন বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ভরতও তো আছে, আপনি ওকে সারাক্ষণ ফোন করতে পারেন না। আপনাকে একটু সরে দাঁড়াতেই হবে। আমি তাকে ফোন করতে ন করিনি, কিন্তু এমনি এমনি নয়, ওরও তো একটা জীবন আছে।’
আলিয়া-রণবীরের নতুন বাড়ি
উল্লেখ্য যে, আলিয়া ও রণবীর ২০২৫ সালের নভেম্বরে তাদের পালি হিলের বাড়িতে উঠেছিলেন। রণবীর, রিয়া এবং আলিয়ার সঙ্গে নীতু কাপুরও সেখানে থাকেন। তবে, প্রত্যেকের নিজস্ব জায়গা রয়েছে, নীতু সম্পূর্ণ আলাদা ফ্লোরে থাকন। একাধিক রিপোর্ট অনুসারে এই সম্পত্তির মোট মূল্য ২৫০ কোটি টাকা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


