‘ভাল ছেলে ছেড়ে বুড়ো ধরেছে…’! পৃথ্বীশ আউট, দেবজ্যোতির সাথে ছবি দিতেই ট্রোল সৌমি
২০২৫ সালের শেষের দিকে জানা যায়, পৃথ্বীশের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর সৌমির জীবনে কড়া নেড়েছে ভালোবাসা। এরপর ভ্য়ালেন্টাইন্স ডে-র কিছুদিন আগে দেবজ্যোতির সঙ্গে ছবি দিয়ে প্রেমে দেন সিলমোহর।
বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সৌমি চক্রবর্তী এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর পৃথ্বীশ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর প্রেম গড়িয়েছিল অনেকদূর। দুজনে একটা লম্বা সময় যেন লিভ ইন করতেন, তেমনই দু পরিবার থেকে বিয়ের আলোচনাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন! ভাঙে সেই সম্পর্ক। প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একে-অপরকে আনফলো, তারপর একসঙ্গে থাকা সব ছবি মুছে ফেলা। এরপর গল্প এগোয় স্বাভাবিদ্ধ ঢঙেই। ২০২৫ সালের শেষের দিকে খবর আসে, ২০২৫ সালের শেষের দিকের খবর অনুযায়ী, পৃথ্বীশের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর সৌমি নতুন সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন। মাসখানেক লুকোচুপি, তারপর নতুন প্রেমিককে আনেন সামনে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে, ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র আগে সামনে আনেন ভালোবাসার মানুষ দেবজ্যোতি রায় চৌধুরীকে।

দেবজ্যোতি প্রেমিকার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে নেন বুধবারে। সৌমিকে দেখা যায় গোলাপি শাড়ি আর সাদা ব্লাউজে। আর অভিনেতার গায়ে কালো পঞ্জাবি। প্রেমের আবেগ ফুটে উঠেছে দুজনের চোখে মুখে। আর এই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, ‘শিরার ওপর শিরা চলে, দ্বন্দ্ব কত, কলিজা সব জানে। গলির জালে রাস্তা মেশে, তুমি বলে,ট্র্যাফিক গোলাপি রঙও মানে।’
তবে দেখা গেল দুজনের ছবি আসতেই সৌমির উদ্দেশে ভেসে এল কটাক্ষ। একজন লেখেন, ‘এটাকে কবে ছাড়ছ তুমি সেটা দেখার অপেক্ষায় আমি?’ আরেকজন লেখেন, ‘ভালো ছেলেটাকে ছেড়ে একটা বুড়ো ধরেছে’।
‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’-র সেটে হয়েছিল দুজনের প্রেমের সূত্রপাত। এমনকী পুরো ফিল্মি কায়দায় সিরিয়ালের সেটেই প্রেমপ্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সৌম্যির সিঁথিতে সিঁদুর পরানোর দৃশ্য ছিল দেবজ্যোতির। সিঁদুর পরাতে পরাতেই সৌমিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
দেবজ্যোতি জানিয়েছিলেন, ‘শ্যুটিংয়ের সেই বিশেষ মুহূর্তের পরই তাঁর মনে হয়েছিল সৌম্যিকে বিয়ে করতে চান তিনি। মনের কথা বলেও ফেলেন।’ তাতে নাকি লজ্জায় পুরো লাল হয়ে গিয়েছিলেন সৌমিও। এরপর দুজনেই পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন বিয়ের ব্যাপারে। রাজি দুই পরিবারই।
আগে দু-বার প্রেম ভেঙেছে সৌমির। পৃথ্বীশের আগে শেহনওয়াজ খানের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। পরস্পরের বাড়িতে যাতায়াত থেকে একসঙ্গে জন্মদিন কিংবা ইদের সেলিব্রেশন, সবেরই ছবি আসত সোশ্যাল মিডিয়াতে। কিন্তু সেই প্রেম টেকেনি। তারপর পৃথ্বীশ আসে জীবনে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


