ফুটপাথ থেকে দিওয়ালি শপিং করছেন নীতা ও ইশা আম্বানি! ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ‘বাহবা’ নেটপাড়ার
বিলাসবহুল পার্টি থেকে নামী ব্র্যান্ডের শপিং, আম্বানি পরিবারের লাইফস্টাইল বরাবরই চর্চায় থাকে। তবে এবার মেয়ে ইশা আম্বানিকে সঙ্গে নিয়ে একেবারে রাস্তার ধারের বাজারে দেখা গেল নীতা আম্বানিকে। দীপাবলির সাজসজ্জার জিনিসপত্র কিনতে মা-মেয়ের এই বাজার ঘোরার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ভাইরাল।
দীপাবলির আগে উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত আম্বানি পরিবারের সদস্যরাও। তবে এবার কোনও বিলাসবহুল শপিং মল বা নামী ব্র্যান্ডের দোকানে নয়, একেবারে রাস্তার ধারের বাজারে দেখা গেল নীতা আম্বানি ও তাঁর মেয়ে ইশা আম্বানিকে। মা-মেয়ের একসঙ্গে বাজার ঘোরার সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, রঙিন আলো, বাহারি সাজসজ্জার সামগ্রী এবং দীপাবলির নানা উপকরণে সাজানো একটি স্থানীয় বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নীতা ও ইশা। বিভিন্ন দোকানে দাঁড়িয়ে উৎসবের সাজের জিনিসপত্র দেখতেও দেখা যায় তাঁদের। দীপাবলির আগে বাড়ি সাজানোর জন্য কী কী সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে, তা খুঁটিয়ে দেখছিলেন মা-মেয়ে। এমনকী, ছিল খুদে আম্বানিরাও।
সাধারণত আম্বানি পরিবারের সদস্যদের দেখা যায় বিলাসবহুল অনুষ্ঠান, নামী ব্র্যান্ডের পোশাক কিংবা অভিজাত শপিংয়ের মুহূর্তে। তাই রাস্তার ধারের সাধারণ বাজারে নীতা ও ঈশার এই উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। তাঁদের এই সাধারণ শপিংয়ের মুহূর্তই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয়।
ভিডিওটি সামনে আসতেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে। নীতা ও ইশাকে একসঙ্গে এভাবে বাজার করতে দেখে কৌতূহল প্রকাশ করেছেন অনেকে। দীপাবলির মরশুমে তাঁদের এই উৎসবের কেনাকাটার ঝলকই এখন নেটপাড়ায় ভাইরাল।
১৯৮৫ সালের ৮ মার্চ মুকেশ আম্বানি ও নীতা দালাল (নীতা আম্বানি) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের আগে নীতা পেশায় একজন শিক্ষিকা ও ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। তাঁদের তিন সন্তান, বড় ছেলে আকাশ, মেয়ে ইশা ও অনন্ত যমজ। পীরামল গ্রুপের আনন্দ পীরামলকে বিয়ে করেছেন ইশা। আকাশের স্ত্রীর নাম শ্লোকা মেহতা (হিরে ব্যবসায়ী রাসেল মেহতার কন্যা)। আর ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি বিয়ে করেছেন রাধিকা মার্চেন্টকে। পরিবার মুম্বইয়ের অল্টামাউন্ট রোডে অবস্থিত অ্যান্টিলিয়া নামক বিশালাকার ও বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল ব্যক্তিগত গগনচুম্বী ভবনে বসবাস করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


