Sonakshi Sinha: শাশুড়ির ঘরোয়া টোটকাতে চুল কার্ল করেন সোনাক্ষী, সহজেই এই জেল বানান,পার্লারের খরচ বাঁচান!
সুন্দরী বউমার সৌন্দর্যে যেন দাগ না লাগে সেই দিকে পুরো নজর দেন জাহিরের মা। সোনাক্ষীর কার্লি চুলের যত্ন নিতে কী করেন তিনি?
গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকাদের ঘন, রেশমি এবং কায়দা করা চুলের রহস্য জানতে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। অনেকেই ভাবেন দামি ব্র্যান্ডের কেমিক্যাল প্রোডাক্ট বা পার্লারের নামী ট্রিটমেন্টই হয়তো এর পেছনে কাজ করে। তবে বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা কিন্তু চুলের যত্নে একদম সাদামাটা ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। সম্প্রতি নিজের একটি ইউটিউব ভ্লগে সোনাক্ষী ওঁর চুলের চমৎকার ন্যাচারাল কার্ল বা কোঁকড়ানো লুকের পেছনের আসল রহস্য ফাঁস করলেন। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, পকেটের কড়ি খরচ না করে চুল নরম ও কার্লি রাখার এই দারুণ বিউটি হ্যাকসটি সোনাক্ষী শিখেছেন ওঁর খোদ শাশুড়িমায়ের (Saasu Maa) কাছ থেকে! ওঁর শাশুড়িমা নিজেই সেই ভ্লগে হাজির হয়ে দর্শকদের এই ঘরোয়া জেল তৈরির পুরো পদ্ধতিটি শিখিয়েছেন।

মাত্র ২০ মিনিটে বাড়িতেই তৈরি করুন তিসির জেল
চুলকে কোনো রকম কেমিক্যাল বা হিট স্টাইলিং টুলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে সোনাক্ষীর শাশুড়িমা ফ্লেক্সসিড দিয়ে তৈরি এক জাদুকরী জেল ব্যবহার করেছেন। চুলে কতটা জেল লাগবে, তা নিজের চুলের দৈর্ঘ্য এবং ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে ঠিক করা যায়। তবে একটি সাধারণ ব্যাচ তৈরি করার সহজ নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
উপকরণ: এক টেবিল চামচ তিসির বীজ (ফ্ল্য়াক্স সিড) এবং দুই কাপ জল।
পদ্ধতি: প্রথমে একটি পাত্রে জল নিয়ে তা ভালোভাবে ফোটাতে হবে। জল ফুটে উঠলে তাতে তিসির বীজগুলো দিয়ে দিতে হবে। এরপর আঁচ কমিয়ে মিশ্রণটিকে প্রায় ২০ মিনিটের জন্য ফুটিয়ে ঘন হতে দিতে হবে।
চেনার উপায়: সোনাক্ষী জানান, ফোটানোর সময় যখন পাত্রের ওপরের স্তরে সাদা ফেনা জমতে শুরু করবে, তখনই বুঝতে হবে যে জেলটি সঠিক ঘনত্বে চলে এসেছে।
সতর্কতা: মিশ্রণটি সামান্য জেলের মতো আঠালো টেক্সচার নিলেই তা গরম থাকা অবস্থায় সঙ্গে সঙ্গে ছেঁকে নিতে হবে। কারণ ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি অতিরিক্ত ঘন হয়ে যাবে এবং ছাঁকা অসম্ভব হবে। ছাঁকার পর জেলটিকে পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিতে হবে।
রাতে বিনুনি, সকালে কার্ল! সোনাক্ষীর ওভারনাইট টেকনিক
শাশুড়িমায়ের তৈরি এই ঠান্ডা ফ্লেক্সসিড জেল দিয়ে কীভাবে চুলে স্টাইল করেন, তাও খোলসা করেছেন শত্রুঘ্ন-কন্যা। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সোনাক্ষী এই ঠান্ডা জেলটি ওঁর পুরো চুলে ভালো করে লাগিয়ে নেন। তারপর চুলগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে একাধিক বিনুনি বা ঝুঁটি বেঁধে নেন। সারা রাত চুলটা ওই বিনুনি অবস্থাতেই থাকে। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বিনুনিগুলো আলতো করে খুলে দিলেই কেল্লাফতে! কোনো রকম দামি কার্লিং মেশিন বা হিটের ব্যবহার ছাড়াই তৈরি হয়ে যায় নরম, ঘন এবং আকর্ষণীয় ন্যাচারাল টেক্সচার্ড কার্ল।
ভিডিওটি শেয়ার করে সোনাক্ষী লিখেছেন, আমার কোঁকড়ানো চুলের এই দারুণ হ্যাকসের পুরো ক্রেডিট আমার শাশুড়িমায়ের। এই ঘরোয়া টোটকার পাশাপাশি দুই প্রজন্মের এই মিষ্টি রসায়নও এখন নেটপাড়ায় অনুরাগীদের মন জয় করে নিয়েছে।
(পাঠকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটিকে কোনো পেশাদার চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে গণ্য করবেন না। চুলের কোনো গুরুতর সমস্যা বা অ্যালার্জি থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।)
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


