‘বয়স্কদের সাথে দুর্ব্যবহার করে, এরা ফালতু বাউন্সার নিয়ে ঘোরে’, টলি নায়কদের আচরণ নিয়ে বিস্ফোরক অম্বরীশ
‘দেব, জিৎ, প্রসেনজিৎ ছাড়া আর কার বাউন্সার লাগে?' প্রশ্ন অম্বরীশের! ইন্ডাস্ট্রির বাউন্সার কালচারকে ধুয়ে দিলেন অভিনেতা।
টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রাণবন্ত অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্য (Ambarish Bhattacharya)। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইন্ডাস্ট্রি সংস্কৃতি, নতুন তারকাদের মনোভাব এবং নায়ক হওয়ার মানসিক চাপ নিয়ে কড়া ও রসাত্মক মন্তব্য করলেন তিনি। বাউন্সার কালচার থেকে শুরু করে শ্যুটিং সেটের মজার অভিজ্ঞতা— সব নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বললেন অম্বরীশ।

‘দেব, জিৎ, প্রসেনজিৎ ছাড়া আর কার বাউন্সার লাগে?' অম্বরীশ
ইন্ডাস্ট্রিতে আজকাল ছোটবড় সব শিল্পীর বাউন্সার নিয়ে ঘোরার ফ্যাশনকে একদমই মানতে পারেন না অম্বরীশ। সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্যের পডকাস্টে তিনি সোজাসুজি বলেন, ‘এই বাংলায় দেব, জিৎ এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ছাড়া আর সত্যি কিন্তু কারও বাউন্সারের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না! বাউন্সারটা হচ্ছে এখন একটা অলঙ্কারের মতো। দুটো ছবি হিট করল কি দুটো সিরিয়ালে একটু নাম হলো, তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করে গৌতমদা! কাউকে চিনতে পারে না, বয়স্কদের সাথে দুর্ব্যবহার করে...।’
অডিকলোন কি অ্যান্টিসেপটিক? শুটিং সেটের ঘটনা:
শুটিং সেটের এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে বর্ষীয়ান অভিনেতা দীপঙ্কর দে-র প্রসঙ্গ টেনে অম্বরীশ বলেন: ‘একটা ছবি শুট হচ্ছে, সেইখানে আমি দেখছি এসে বলছে দীপঙ্করদার কেটে গেছে, ওডিকলোন দিয়ে ঘসে দেব? ওডিকলোন কি অ্যান্টিসেপটিক? ৭০ সালের ছবি ’আকালের সন্ধানে', সেই সময় অ্যান্টিসেপটিকের বদলে ওডিকলোন দেওয়া হতো! আজও আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কিন্তু কারও কেটে গেলে দেখি ওডিকলোন লাগানো হয়!'
‘নায়ক হওয়ার বাসনা নেই, তাই বিয়েও করিনি!’: অম্বরীশের সপাট জবাব
নায়ক হওয়ার ইচ্ছা আছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাসতে হাসতে অম্বরীশ জানান:"না, আমার নায়ক হওয়ার কোনো বাসনা নেই গৌতমদা। তার কারণ এখন বাংলা সিনেমার যে অবস্থা, তাতে করে নায়ক হতে গেলে অনেক চাপ আছে জীবনে। তো টেনশন আমি নিতেই পারব না। টেনশন নিতে পারব না বলেই তো বিয়েটা করিনি!" অকপট কথা বলা এবং সেন্স অফ হিউমারের জন্য অম্বরীশের এই বক্তব্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিনোদন প্রেমীদের মধ্যে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


