‘আমায় একটা গাড়ি উপহার দিয়েছিল…’! কনম্যান সুকেশকে নিয়ে নীরাবতা ভাঙলেন নোরা ফতেহি
নোরা ফাতেহির নাম কিছুদিন আগে কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে জুড়েছিল, যা নিয়ে অভিনেত্রী এখন নীরবতা ভেঙেছেন। তিনি সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।
নোরা ফাতেহি বিগত বছরে জড়িয়েছিলেন বড় বিতর্কে। বিশেষ করে প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ানোর পর। ২০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন নোরাও। সম্প্রতি নোরা ব্যাখ্যা করেছিলেন, সেই সময় এই বিতর্কের কারণে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। আজও তাঁর কাজকে কীভাবে এটি ক্ষতিগ্রস্থ করে চলেছে।

এখনো ভয় পান নোরা
'ড্রিম উইথ ডক্টর শিন' পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে নোরা বলেন যে তিনি সেই পরিস্থিতি কখনও ভুলতে পারবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি এতটাই মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলাম যে আজও, আমার এজেন্সি কোনো অনুষ্ঠানের ডাক পেলে আমি শুধু টাকা উপার্জনের জন্যই যাই। কিন্তু এরপর কী হবে তা ভেবে আমার ভয় লাগে। আমাকে নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা বলা হয়েছিল। আমার মা আমাকে চেনেন এবং তিনি আমাকে কীভাবে বড় করেছেন তা জানেন, আমার বন্ধুরাও জানে। তবু ভয় হত, তাঁরাও লোকের বলা কথা বিশ্বাস করবে না তো? সেই সময়টা খুব সংবেদনশীল ছিল। আমি অনেক ব্র্যান্ড হারিয়েছি। শুধু ওই একটা লোকের কারণে। মানুষ আজও আমাকে দেখলে বলে, ‘তুমি কি ওই লোকটাকে চেনো? তুমি কি ওর সঙ্গে প্রেম করতে?’
নোরা জানালেন তিনি কী কী উপহার পেয়েছিলেন
নোরা ব্যাখ্যা করেন যে এই বিতর্ককে ঘিরে জনমনে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। মানুষ ধরে নিতে শুরু করেছিল যে সুকেশের সঙ্গে তার সত্যিই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। নোরা বলেন, ‘মানুষের ভাবা উচিত তারা তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে ব্যবহার করছে। কর্মফল সত্যি। হ্যাঁ, আমি সেই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। হ্যাঁ, সেখানে তার পরিবার ও স্ত্রী-সহ কিছু মানুষের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তারা আমাকে একটি গাড়ি এবং অন্যান্য জিনিস উপহার দিয়েছিল, কিন্তু সেটা স্বাভাবিক ছিল।’
নোরা আফসোস করেন, যদি কেউ থাকত
এরপর নোরা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সঙ্গে তার অভিজ্ঞতাকে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘ওই দুই বছর আমি যা সহ্য করেছি তা ছিল ভয়াবহ। আমার নিজের জন্য খারাপ লাগে। আমার আফসোস হয়, যদি কেউ থাকত যে আমাকে সাহায্য করতে পারত। সেই পরিস্থিতি থেকে বের হতে কেউ আমাকে সাহায্য করেনি।’ আরও অনেক শিল্পী ও অভিনেতা একই পরিস্থিতিতে ছিলেন, কিন্তু তারা দ্রুতই সামলে উঠেছিলেন। কিন্তু আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছিল যে, আমাকে নিয়ে এমন একটি গল্প তৈরি করা হয়েছিল যে, আমি এই লোকটির সঙ্গে প্রেম করেছি এবং তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি।
লোকেরা আমার সাথে অনেক অন্যায় করেছে: নোরা
অবশেষে, নোরা বলল, ‘মারাত্মক কঠিন সময় ছিল ওটা। আমার খুব একা লাগত। আমি খুব বিভ্রান্ত ছিলাম। আমার জন্য সময়টা ছিল খুব অদ্ভুত। আমি অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, এবং আমার মনে হচ্ছিল যে লোকেরা আমার সঙ্গে অনেক অন্যায় করছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


