‘পিকচার আভি বাকি হ্যায়…’! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে চিড়, এখন কেমন আছেন নুসরত
বালিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে চিড় ধরেছিল নুসরত বারুচার। অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁকে মুম্বইয়ে নিয়ে আসা হয়। এবার হাসপাতাল থেকে সমাজমাধ্যমে প্রথম ছবি ভাগ করে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করলেন অভিনেত্রী। কী লিখলেন তিনি?
বলিউড অভিনেত্রী নুসরত বারুচা সম্প্রতি বালিতে বেড়াতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর মেরুদণ্ডে চিড় ধরে। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলে তাঁকে এয়ারলিফট করে মুম্বইয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়। অভিনেত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন অনুরাগীরা। এবার হাসপাতাল থেকে সমাজমাধ্যমে প্রথম ছবি ভাগ করে নিজের শারীরিক অবস্থার আপডেট দিলেন নুসরত।

‘পিকচার অভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত’
শনিবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হাসপাতালের ঘর থেকে একটি ছবি পোস্ট করেন নুসরত। ছবিতে বড় জানালার পাশে একটি ফাঁকা রিক্লাইনিং হুইলচেয়ার দেখা যাচ্ছে। জানালার বাইরে তখন সূর্যাস্তের দৃশ্য। নিজের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু না জানালেও, দুর্ঘটনার পর জীবনের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কীভাবে বদলে গিয়েছে, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
ছবির সঙ্গে নুসরত লেখেন, ‘সব সময় সূর্যাস্তের পিছনে ছুটেছি। আর ঠিক এভাবেই বদলে গেল আমার দৃষ্টিভঙ্গি। তবে পিকচার অভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত।’ অভিনেত্রীর এই পোস্টে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা।
বালিতে দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে চিড় নুসরতের
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাজের সূত্রেই বালিতে গিয়েছিলেন নুসরত। পরে সেই সফর কাজের পাশাপাশি ছুটি কাটানোর সুযোগও হয়ে ওঠে। কিন্তু সেখানেই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন অভিনেত্রী। তাঁর মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট লাগে। পরে নুসরতের টিমের তরফে তাঁর মেরুদণ্ডে চিড় ধরার খবর নিশ্চিত করা হয়।
এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে মুম্বইয়ে নিয়ে আসা হয়। শহরে ফেরার পর অভিনেত্রীর কয়েকটি ভিডিয়ো সামনে এসেছিল, যেখানে তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্টে দেখা যায়। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তাঁর কোনও ছবি প্রকাশ্যে আসেনি। অবশেষে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছবি পোস্ট করে নিজের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইঙ্গিত দিলেন নুসরত।

টাইগার শ্রফের সঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে নুসরতকে
কাজের দিক থেকে আগামী দিনে টাইগার শ্রফের সঙ্গে একই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যেতে পারে নুসরতকে। এই প্রথম একসঙ্গে কাজ করবেন দুই অভিনেতা। যদিও ছবির নাম কিংবা অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
২০২৩ সালে ইজরায়েলে যুদ্ধের মাঝে আটকে পড়েছিলেন নুসরত
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালেও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন নুসরত। সে বছর অক্টোবর মাসে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় একটি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তেল আভিভে ছিলেন অভিনেত্রী। বোমা বিস্ফোরণ ও সাইরেনের শব্দে আতঙ্ক ছড়ালে তাঁকে একটি বেসমেন্টে আশ্রয় নিতে হয়।
পরে ভারতীয় দূতাবাস ও সরকারের উদ্যোগে ৮ অক্টোবর ২০২৩-এ নিরাপদে মুম্বইয়ে ফিরে আসেন নুসরত। এবার বালিতে দুর্ঘটনার পরও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে তাঁকে। তবে তাঁর সাম্প্রতিক পোস্টে জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবেরই ইঙ্গিত মিলেছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


