ইশানের জন্মদিন! নুসরতের কোলের কাছে বসে ভাইকে কেক খাওয়াল সৎ দাদা রেয়াংশ, পাশে যশ
ঘরোয়াভাবেই ছেলে রেয়াংশের ৫ বছরের জন্মদিন পালন করলেন নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত। ভাইকে আদর করে কেক খাওয়াতে দেখা গেল নুসরতের আগের পক্ষের ছেলে রেয়াংশকেও।
দেখতে দেখতে পাঁচ বছরে পা রাখল নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্তর ছেলে ইশান। আর খুদের জন্মদিনের কেক কাটার ছবি সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন মাম্মা। প্রথম ছবিতে লাল টি-শার্ট পরে দেখা গেল ইশানকে। গাল ভরা হাসি। নীল রঙের বেলুন-ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে ঘর। পরের ছবিতে যশ ও নুসরতের মাঝে বসে কেক কাটতে দেখা গেল ইশানকে। আর সেই ফ্রেমে নজর কাড়ল রেয়াংশ। পরের ছবিটায় ইশানকে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন নুসরত আর রেয়াংশ।

ছবিগুলি শেয়ার করে নুসরত জাহান লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে বেবি। আমরা তোমায় খুব ভালোবাসি। -মা,বাবা আর দাদা।’ নুসরত-পুত্রকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্য়ায়ও। করোনা লকডাউনের সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন নুসরত। সেই সময় হবু মা-য়ের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যেত হামেশাই শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে।
বরাবরই নুসরতের ব্যক্তিগত জীবন বিতর্কে ভরা। ঘটা করে বিয়ে করেছিলেন ব্যবসায়ী নিখিল জৈনকে। তাও আবার দেশের বাইরে তুরস্কতে গিয়ে। এরপর সিঁথি রা সিঁদুর পরে হাসির হয়েছিল সাংসদে, নিয়েছিলেন ভোটে জিতে শপথ। তারপর শহরের বেশ কিছু অনুষ্ঠানে নিখিল ও নুসরতকে দেখা যেত একত্রে। তবে আচমকাই শোনা যেতে থাকে, নিখিল ও নুসরতের মধ্যেকার দূরত্বের কথা। তারপর আবার আসে নুসরতের প্রেগন্যান্সির খবর। নিখিল তো সাফ জানিয়ে দেন যে, এই সন্তান তাঁর নয়। এরপর নানান জটিলতা, জানা যায় বিয়ের রেজিস্ট্রিই করানো হয়নি। আদালতের নির্দেশে নুসরত ও নিখিলের বিয়ে অবৈধ ঘোষণা হয়।
তখন থেকেই নুসরত ও যশের সম্পর্ক আসে সামনে। এরপর জানা যায়, নুসরত-পুত্র ইশানের বাবাও যশই। দুজনে নাকি বিয়েও করেছেন। যদিও কখন, কোথায় বিয়ে হয়েছে তা গোপন রেখেছেন নুসরত-যশ। আপাতত থাকছেন একত্রে. তাঁদের সঙ্গে থাকেন যশের আগের পক্ষের ছেলে রেয়াংশও। নুসরতের আগে ঘর বেঁধেছিলেন যশ। সেই বিয়ে থেকে হওয়া সন্তান ডিভোর্সের পর থেকে থাকে বাবার কাছেই।
রেয়াংশকে ছোটবেলা থেকে খুব বেশি লাইমলাইটে আনেন না যশ। কদিন আগে মৌসুমী চট্টোপাধ্য়ায়ের মেয়ে দুই ভাইয়ের একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছিলেন। আর এবার ভাইয়ের জন্মদিনে যশের বড় ছেলে এল সামনে। ভাইকে খুব ভালোবাসে রেয়াংশ। দাদাকে চোখে হারায় ইশানও। আর জন্মদিনের ছবিতেও দুই ভাইয়ের রসায়ন স্পষ্ট। নুসরতও খোলা মনে গ্রহণ করেছেন স্বামীর প্রথম পক্ষের সন্তানকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


