Kangana Ranaut: পাকিস্তানি বর চান ‘দেশভক্ত’ কঙ্গনা! ‘কট্টর হিন্দু’ উক্তি নিয়ে খোঁটা BJP সাংসদকে
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের একটি পুরনো ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
কঙ্গনা রানাওয়াত তাঁর বক্তব্যের জন্য ফের একবার শিরোনামে উঠেছেন। সম্প্রতি, তিনি নিজেকে একজন কট্টর হিন্দু হিসাবে বর্ণনা করে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। একই সঙ্গে সোনাক্ষী সিনহার নাম না করে তাঁকে টার্গেট করে বলেন, বলিউডের কিছু অভিনেত্রী প্রথমে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে একেবারে নিরপেক্ষ থাকলেও, পরে একজন মুসলিমকে বিয়ে করার পর হঠাৎ করে বামপন্থী হয়ে যান। কঙ্গনার বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা তাঁর একটি পুরানো সাক্ষাৎকার তুলে নিয়ে এসে হাজির করেছে। যেখানে তিনি পাকিস্তানি বর চাইছেন।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এই পুরোনো ভিডিয়োতে কঙ্গনা মজা করে একজন সাংবাদিককে বলছেন তার জন্য একজন পাকিস্তানি বর খুঁজতে। ভিডিয়োর শুরুতেই সাংবাদিক কঙ্গনাকে বলেন, ‘এটাই তাহলে ঠিক হল তো! আমি পাকিস্তান থেকে আপনার জন্য পাত্র খুঁজছি। কেমন ছেলে খুঁজব?’
যাতে বেশ হেসে কঙ্গনা জবাব দেন, ‘আমি তো বলেই দিয়েছি, বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হলেই হবে। আর সে যদি আমাকে চিনতেও না পারে, তাতেও কোনও সমস্যা নেই। আমি আমার সঙ্গীর সঙ্গে খুব সাধারণ জীবন কাটাতে চাই। আমি খুব ভালো চিকেন রান্না করতে পারি। চিকেন কোরমা, চিকেন মাখনির মতো নানা ধরনের পদ বানাতে পারি। ভারতীয় ও মুঘলাই—দুই ধরনের রান্নাই করতে জানি।’
আর কঙ্গনার এই ভিডিয়ো দেখে মানুষ তাঁর উপরে বেশ ক্ষুব্ধ। একজন লেখেন, ‘কঙ্গনা আসলে ভুলে গেছেন যে তাঁর পুরনো সাক্ষাৎকার সব সময় ইন্টারনেটে থাকবে। আজ যে ব্যক্তি অন্যের আন্তঃবর্ণ বিবাহের দিকে আঙুল তুলছেন, তিনি একসময় একজন পাকিস্তানি মুসলিমকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখছিলেন।’
আরেকজন লেখেন, ‘যে নারী সবাইকে উদারপন্থী-বামপন্থী শ্রেণীতে ভাগ করে দিয়েছে, সে নাকি বিয়ের জন্য একজন মুসলিম পাকিস্তানি পুরুষকে খুঁজছে!’
ভিডিওটি দেখুন এখানে।
সোনাক্ষীকে নিয়ে কী বললেন কঙ্গনা?
কঙ্গনা একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন, যেখানে তিনি সরাসরি সোনাক্ষীর নাম নেননি। ভিডিয়োতে তিনি শুধু বলেন, ‘হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক মেয়ে-বোন আছেন যারা হিন্দু, কিন্তু রাজনীতি বা ধর্ম সম্পর্কে তাদের কোনও মতাদর্শ নেই। তাঁরা খুবই নিরপেক্ষ। কিন্তু যখনই তাঁরা কোনো ইসলামপন্থীর সংস্পর্শে আসেন, তখন তাদের চিন্তাভাবনা বদলে যায়। তারা উগ্রপন্থী এবং বামপন্থী হয়ে ওঠে। যদিও এতে কোনও ভুল নেই কারণ সংবিধান আপনাকে এই স্বাধীনতা দিয়েছে।’
কঙ্গনার বক্তব্য শুনে লোকজন অনুমান করেছিলেন যে তিনি সোনাক্ষী সিনহাকে টার্দেট করেছেন। কারণ প্রকাশ্যে ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন শত্রুঘ্ন কন্যা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


