স্মৃতির বাবা ও হবু স্বামী অসুস্থ! চলে গেল বরযাত্রী! কেন? মুখ খুললেন পলাশের দিদি পালক
বরযাত্রীরা নাকি বিয়ে বাড়িতে এসেও ফিরে যাচ্ছেন! ঠিক কী ঘটেছিল? কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মুচ্ছল পরিবারের পক্ষ থেকে খোলসা করলেন পলাশের দিদি বিখ্যাত গায়িকা পালক মুচ্ছল।
২৩ নভেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার স্মৃতি মন্দনার। সেই মতো বাড়িতে প্রস্তুতিও শুরু হয়েছিল। তাঁর বিয়ের আগের নানা মুহূর্তের ছবিও সামনে আসছিল। কিন্তু এর মাঝেই ঘটে ছন্দপতন। বিয়ের কিছু ঘন্টা আগেই হঠাৎ করে স্মৃতির বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে। তবে এখানেই শেষ নয় বাবার অসুস্থতার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন স্মৃতির হবু স্বামী পলাশ মুচ্ছল। আর এই সবের মাঝে খবর আসে বরযাত্রীরা নাকি বিয়ে বাড়িতে এসেও ফিরে যাচ্ছেন! ঠিক কী ঘটেছিল? কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মুচ্ছল পরিবারের পক্ষ থেকে খোলসা করলেন পলাশের দিদি বিখ্যাত গায়িকা পালক মুচ্ছল।

দেখা যায় ইনস্টাগ্রাম থেকে এনগেজমেন্টের বিয়ের সব ভিডিয়ো ছবি সরিয়ে দিয়েছেন স্মৃতি। ফলে সবটা নিয়ে জল্পনা শুরু হয় যে তবে আদৌও তাঁদের বিয়ে হবে? নাকি তাঁদের সম্পর্কে কোনও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সব চর্চার মাঝেই পালক তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন, ‘স্মৃতির বাবার স্বাস্থ্যের কারণে, স্মৃতি এবং পলাশের বিয়ে স্থগিত করা হয়েছে। এই সংবেদনশীল সময়ে পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আমরা আপনাদের সকলকে অনুরোধ করছি।’
প্রসঙ্গত, বাড়িতেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন পলাশ। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তড়িঘড়ি তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ভাইরাল ইনফেকশন এবং অ্যাসিডিটির কারণেই নাকি এই সমস্যা তৈরি হয়েছিল।
তবে সমস্যা গুরুতর না হওয়ায় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই ছেড়ে দেওয়া হয় পলাশকে। আসলে শারীরিক এবং মানসিক চাপের ফলেই হয়তো এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
মহারাষ্ট্রের সংলিতে পলাশ মুচ্ছল এবং স্মৃতি মন্দনার বিয়ের আসর বসেছিল। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে বিবাহ বাসরের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার মধ্যেই হঠাৎ অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন স্মৃতির বাবা।
প্রথমে মনে হয়েছিল উপস্থিতি অতিথিদের মধ্যে হয়তো কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তাই অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনা হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায় হবু কনের বাবাই নাকি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। অবস্থার অবনতি হয় শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
E-Paper

