Palash-Salman: ‘হঠাৎ সাধু সাজার চেষ্টা…’, নিজেই পেইড পিআর ক্যাম্পেন চালালেন সলমন, বিস্ফোরক পলাশ সেন

‘এই পুরো বক্তব্যটি স্ক্রিপ্টেড নাকি একদম স্বাভাবিক, তা বোঝা আমাদের জন্য খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে’, সলমন খানকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পলাশ সেনের।

Published on: Oct 22, 2026, 10:30:17 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ওয়ার’ পর্বে বলিউড তারকা সলমন খান সিনেমা ব্যর্থ হলে অভিনেতাদের ট্রোল করা এবং তারকাদের পরস্পরের বিরুদ্ধে ‘পেইড নেগেটিভ পিআর’ ক্যাম্পেইন চালানোর তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সলমনের সেই মন্তব্যকেই পাল্টা নিশানা করলেন বিখ্যাত ব্যান্ড ‘ইউফোরিয়া’-র প্রধান গায়ক ও অভিনেতা পলাশ সেন। তাঁর দাবি, সলমান নিজে সাধু সাজার চেষ্টা করলেও তিনি নিজেই এই সমস্যার অন্যতম অংশীদার!

‘হঠাৎ সাধু সাজার চেষ্টা…’, নিজেই পেইড পিআর ক্যাম্পেন চালালেন সলমন, বিস্ফোরক পলাশ সেন
‘হঠাৎ সাধু সাজার চেষ্টা…’, নিজেই পেইড পিআর ক্যাম্পেন চালালেন সলমন, বিস্ফোরক পলাশ সেন

সলমন খানকে নিয়ে পলাশ সেনের বিস্ফোরক মন্তব্য:

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ‘স্ক্রিন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পলাশ সেন জানান—'সলমন নিজেই এই সংস্কৃতির শুরুর দিকের একজন অংশীদার, এটা আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সমস্যা কখনো কাঠামোর নীচ থেকে তৈরি হয় না, সবসময় ওপর থেকেই শুরু হয়। আমি কাউকে আঙুল তুলে দেখাচ্ছি না, তবে যারা তরবারির জোরে বাঁচে, তাদের তরবারির হাতেই মৃত্যু হয়। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যারা বহু বছর ধরে নিজেদের স্থান ধরে রেখেছেন, তারা সবাই পিআর এজেন্সিগুলোর সাথে খেলা করেছেন—তা আমরা সবাই জানি।'

সলমনের মন্তব্যের সাহসিকতার প্রশংসা করলেও পলাশ যোগ করেন, ‘হঠাৎ একদিন উনি সাধুর মতো কথা বলতে শুরু করতে পারেন না। উনি নিজেই যে এই সমস্যার অংশ ছিলেন, তা আমরা সবাই জানি। এমনকি ‘বিগ বস ২০’-এর মঞ্চে ওঁর এই পুরো বক্তব্যটি স্ক্রিপ্টেড নাকি একদম স্বাভাবিক, তা বোঝা আমাদের জন্য খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।’

ঠিক কী বলেছিলেন সলমন খান?

বিগ বসের ওই বিশেষ পর্বে সলমন সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলিং সংস্কৃতি এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ক্যাটরিনা কাইফকে ওজন বৃদ্ধি নিয়ে ট্রোল করার বিরুদ্ধে সরব হন। পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে চলা ‘পেইড নেগেটিভ পিআর’-এর মুখোশ খুলে দিয়ে তিনি বলেছিলেন— ‘আমাকে কারা ট্রোল করে তা আমি ভালো করেই জানি। টাকা দিয়ে অন্য অভিনেতাকে ছোট করা এবং এই কাজে প্রযোজক বা নায়কদের ইন্ধন দেওয়াটা চরম দুর্নীতির সমান। এমনকি টাকার বিনিময়ে ছবিকে ৪-৫ স্টার রিভিউ দেওয়াও এক ধরনের জঘন্য দুর্নীতি। তারা কোন মুখে নীতি-নৈতিকতার কথা বলে?’

সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা পলাশ সেন:

পেশায় চিকিৎসক পলাশ সেন ১৯৯৮ সালে গড়ে তোলেন বিখ্যাত ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিউজিক ব্যান্ড ‘ইউফোরিয়া’ (Euphoria)। ‘ধুম পিচাক ধুম’, ‘মাইরি’, ‘আনা মেরি গলি’-র মতো কালজয়ী গানের পাশাপাশি তাবু ও সুস্মিতা সেনের সাথে ‘ফিলহাল’ (২০০২) ছবিতে অভিনয়ও করেছেন তিনি। সম্প্রতি ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে তাঁদের মিউজিক অ্যালবাম ‘ধুমসডে’ (Dhoomsday) প্রকাশের মাধ্যমে সংগীত জগতে প্রায় তিন দশকের পথচলা উদযাপন করেছেন পলাশ ও তাঁর ব্যান্ড।

পলাশ সেন সম্পর্কে পলাশ সেন পেশাদারভাবে সংগীত অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার হিসাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তিনি 1998 সালে ইউফোরিয়া প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং ব্যান্ডটি 1990 এর দশকের শেষের দিকে এবং 2000 এর দশকের গোড়ার দিকে ভারতের অন্যতম বিশিষ্ট স্বতন্ত্র সংগীত অভিনয়ে পরিণত হয়েছিল। ইউফোরিয়া ধুম পিচুক ধুম, মারি, ফির ধুম, আনা মেরি গল্লি এবং মেহফুজের মতো গানের জন্য পরিচিত। সেন ফিলহাল (2002) সহ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন, যা টাবু এবং সুস্মিতা সেন অভিনীত হয়েছিল। আগস্ট 2026 সালে, তিনি এবং ইউফোরিয়া তাদের অ্যালবাম ধুমসডে প্রকাশের সাথে সংগীতে প্রায় তিন দশক পূর্ণ করেছিলেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More