১৩ বছর বয়সে বিয়ে, তাও মামাকে! ডিভোর্স হওয়ার পরেও কেন সিঁদুর পরেন প্রসেনজিতের বোন পল্লবী
পরপর দুটি বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর পল্লবী চট্টোপাধ্যায় আর নতুন কোনো সম্পর্কে জড়াননি। বর্তমানে তিনি সিঙ্গেল। তাহলে কেন পরেন শাঁখা-সিঁদুর?
পরিস্থিতির চাপে পড়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বোন পল্লবী চট্টোপাধ্যায় তাঁর নিজের মামাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে অত্যন্ত কম বয়সের সেই বিয়ে টেকেনি এবং পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরপর দুটি বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর পল্লবী আর নতুন কোনো সম্পর্কে জড়াননি। বর্তমানে তিনি সিঙ্গেল।

বর্তমানে মুম্বইয়ের বাসিন্দা পল্লবী। তবে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে কলকাতায়। বেশ বড় করেই মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেছিলেন৷ ইন্ডাস্ট্রির অনেক চেনা মুখই ছিলেন নিমন্ত্রিতের তালিকায়। আর রবিবার শাঁখা-সিঁদুরে দেখা গেল পল্লবীকে। বারবার বিয়ে আর মন দুটোই ভাঙলেও, কেন এই সাজ? যার জবাব দিলেন তিনি নিজেই।
প্রসেনজিতের বোন জানান যে, তিনি শাঁখা-পলা-সিঁদুর পরতে ভালোবাসেন। এর সঙ্গে বিয়ে বা বরের কোনো সম্পর্ক নেই। কথাপ্রসঙ্গে রেখারও প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পল্লবী বলেন, ‘আমি সিঙ্গেল। আমার কোনো বর নেই, স্বামী নেই। এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে শাঁখা-পলা কেন, সিঁদুর কেন? আমার এই সাজটা ভালো লাগে। আর সিনেমায় যখন এতবার আমরা সিঁদুর পরি, শাঁখা-পলা পরি, ফুলসজ্জার দৃশ্যে অভিনয় করেছি, তাহেল আমার যেদিনকে ভালোবাসার দিন, সেদিনকে আমার পছন্দের সাজ কেন করব না। বর না হয় না-ই থাকল, আমি তো বধূ হয়ে থাকলাম।’
‘আমি তো চিরকালই রেখাজির বড় ফ্যান। তিনিও বিবাহিত নন, তিনিও সিঁদুর পরে থাকেন। তিনি কার জন্য পরেন, কেন পরেন, আমি আমার জন্য পরি। আমার এই সাজটা খুব ভালো লাগে। নিজেকে কমপ্লিট উওম্যান মনে হয়। আর আমি এটায় বিশ্বাসও করি না যে, স্বামী থাকলেই শুধু সিঁদুর পরা যাবে, স্বামী না থাকলে সিঁদুর পরা যাবে না। আগে নিজেকে ভালোবাসব। তারপর তো অন্যকে ভালোবাসতে পারব।’, আরও বলেন পল্লবী।
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই, মাত্র ১৫-১৬ বছর বয়সে সন্তান কোলে আসে পল্লবীর। সেই বিয়ে যদিও সুখের হয়নি। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান। এখনো পর্যন্ত পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। যদিও ক্যাতি বা জনপ্রিয়তায় দাদা প্রসেনজিতের ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেননি। তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয় ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের দোসর ছবিতে 'বৃন্দা' চরিত্র, যা তাঁকে ব্যাপক সমালোচক-প্রশংসা এনে দেয়। তাঁর অন্য কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— অমর প্রেম, পুরুষোত্তম, যুগান্ত, এক মুঠো ছবি, আবর্ত, খাদ, গণেশ টকিজ, গেমপ্ল্যান, শাহজাহান রিজেন্সি, এবং শেষের গল্প। সিনেমার পাশাপাশি ইটিভি, স্টার প্লাস ও দূরদর্শনের মতো নামী চ্যানেলের একাধিক জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক ও টেলিফিল্মেও দেখা গিয়েছে পল্লবীকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


