‘ব্রা দেখা যায়নি, পুরোটা খুলে ফেললে তো…’! কাঞ্চনার পিঠখোলা ছবিকে ‘বোল্ড’ বলতে নারাজ, কী বললেন পল্লবী?

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের এক চরম বোল্ড ও সাহসী ফটোশ্যুট পোস্ট করে তীব্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন কাঞ্চনা মৈত্র। তবে পল্লবীর প্রশংসায় রীতিমতো পঞ্চমুখ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বোন পল্লবী। 

Published on: Oct 28, 2026, 16:30:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

টলিউড অভিনেত্রী পল্লবী চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। ইদানীং তাঁকে নিয়ে নেটপাড়ায় সমালোচনা ও ট্রোলিংয়ের ঝড়। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের এক চরম বোল্ড ও সাহসী ফটোশ্যুট পোস্ট করে তীব্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন তিনি। ফোকাসে এসেছিল অভিনেত্রীর অনাবৃত পিঠ। আর তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় পড়তে হয় ট্রোলের মুখে।

কাঞ্চনার পিঠখোলা ছবি নিয়ে কী বললেন পল্লবী?
কাঞ্চনার পিঠখোলা ছবি নিয়ে কী বললেন পল্লবী?

কাঞ্চনাকে নিয়ে কী বললেন পল্লবী

লক্ষ্মীপুজোর দিন কাঞ্চনাকে নিয়ে হওয়া ট্রোলে জবাব দিলেন পল্লবী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ভীষণ আর্টিস্টিক একটা কাজ এটা। ব্রা দেখা যায়নি। পিঠটা দেখা গিয়েছে শুধু। পুরোটা খুলে ফেললে তো আর সৌন্দর্য থাকে না।’

‘এটা মোটেও বোল্ড অ্যান্ড বিউটিফুল নয়। এটা শুধুই বিউটিফুল। বোল্ড হলে তো ও পুরোটাই খুলে ফেলত। সব দেখালে তো আকর্ষণ থাকে না। না দেখার আকর্ষণটা সবচেয়ে বেশি। ও সেটাই করেছে।’, কাঞ্চনার সেই ভাইরাল ছবি আরও বলেন পল্লবী।

কাঞ্চনার বিতর্কিত পোস্ট

‘মোহমায়া’ থিমে সেই ভিডিয়োটি শ্যুট করেছিলেন কাঞ্চনা। নিজের জন্য বেছেছিলেন লাল-হলুদ ঢাকাই পারের শাড়ি। মাথায় খোঁপা, তাতে লাল গোলাপের মালা। নাকে নথ, হাতে বাজু ও গয়না, সঙ্গে সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুর ও কপালে লাল টিপ। শাড়ির নিচে ছিল না কোনো ব্লাউজ, অনাবৃত ব্যাকলেস লুক। কাঞ্চনার চাহুনি বিশেষ করে বিঁধেছিল নেটপাড়ার হৃদয়। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমাগত কটাক্ষের মুখে পড়েন কাঞ্চনা। তাঁকে ঘিরে পরে ‘ভীমরতি’-র মতো মন্তব্যও।

শাঁখা-পলা-সিঁদুরে প্রসেনজিতের বোনের এয়ো লুক

লক্ষ্মীপুজোর দিন শাঁখা-সিঁদুরে দেখা যায় পল্লবীকে। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, কার নামের সিঁদুর পরেছেন? যাতে তিনি জানান, তিনি শাঁখা-পলা-সিঁদুর পরতে ভালোবাসেন। এর সঙ্গে বিয়ে বা বরের কোনো সম্পর্ক নেই। পল্লবীর কথায়, ‘আমার এই সাজটা ভালো লাগে। আর সিনেমায় যখন এতবার আমরা সিঁদুর পরি, শাঁখা-পলা পরি, ফুলসজ্জার দৃশ্যে অভিনয় করেছি, তাহেল আমার যেদিনকে ভালোবাসার দিন, সেদিনকে আমার পছন্দের সাজ কেন করব না। বর না হয় না-ই থাকল, আমি তো বধূ হয়ে থাকলাম।’

‘আমি তো চিরকালই রেখাজির বড় ফ্যান। তিনিও বিবাহিত নন, তিনিও সিঁদুর পরে থাকেন। তিনি কার জন্য পরেন, কেন পরেন, আমি আমার জন্য পরি। আমার এই সাজটা খুব ভালো লাগে। নিজেকে কমপ্লিট উওম্যান মনে হয়। আর আমি এটায় বিশ্বাসও করি না যে, স্বামী থাকলেই শুধু সিঁদুর পরা যাবে, স্বামী না থাকলে সিঁদুর পরা যাবে না। আগে নিজেকে ভালোবাসব। তারপর তো অন্যকে ভালোবাসতে পারব।’, পল্লবী বলেন আরও।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More