Pankaj Tripathi:‘কার সাথে এত চ্যাট করছ?’ সারাক্ষণ ফোনে আটকে বাঙালি বউ, প্রকাশ্যেই খোঁচা পঙ্কজ ত্রিপাঠির, মৃদুলাকে চেনেন?
‘বেকার’ পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সব দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মৃদুলা। ভালোবেসে আত্মীয়কে বিয়ে করেন অভিনেতা। হঠাৎ বউকে কেন খোঁচা দিলেন?
বলিউড তারকা পঙ্কজ ত্রিপাঠী (Pankaj Tripathi) এবং তাঁর স্ত্রী মৃদুলা ত্রিপাঠী (Mridula Tripathi)-র মিষ্টি রসায়ন ও গভীর মেলবন্ধন অনুরাগী মহলে বরাবরই দারুণ প্রশংসিত। জীবনের বহু বছরের পথচলা ও সংগ্রামের সঙ্গী এই জুটিকে সম্প্রতি আবার দেখা গেল এক অত্যন্ত মধুর ও মজাদার মুহূর্তে।
মেলবোর্নের ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে (IFFM) বক্তব্য রাখার সময় স্ত্রীর অবিরাম ফোন ব্যবহার দেখে মজার ছলে খোঁচা মেরে হাসির রোল তুললেন অভিনেতা।
প্রকাশ্য মঞ্চে পঙ্কজের মজাদার কাণ্ড
অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন পঙ্কজ, আর ঠিক সেই সময় সামনের সারিতে বসা স্ত্রী মৃদুলা একমনে ফোনে টাইপ করে যাচ্ছিলেন। স্ত্রীর এই অমনোযোগিতা খেয়াল করতেই মাইক হাতেই পঙ্কজ রসিকতা করে বলে ওঠেন:
"তুমি কাকে এত টানা মেসেজ করে যাচ্ছ? আমার নজর বারে বারে ওখানেই চলে যাচ্ছে। আমি কথা বলে যাচ্ছি আর তুমি শুনছই না! আমি যা বলছি সেটাই টাইপ করছ নাকি?"
পরমুহূর্তেই অবশ্য তিনি বুঝতে পারেন মৃদুলা নিশ্চয়ই তাঁদের মেয়েকে মেসেজ করছেন। তিনি হেসে যোগ করেন, "মে মেয়েকে বলে দাও যে তার বাবার অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে!"
২৫ বছরের সফল দাম্পত্যের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন যে, ২৫ বছর আগে তিনি এত সুন্দর একজন মানুষকে বিয়ে করেছেন এবং কথা বলার সময় স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া দেখার জন্যই বারে বারে তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন, আর সেখানেই ধরা পড়ে এই মিষ্টি মুহূর্তটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা তাঁদের এই বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
২০০৪ থেকে ২০১০: মৃদুলার একার কাঁধে সংসারের দায়িত্ব
বলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আগে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল পঙ্কজকে। 'নবভারত টাইমস'-কে দেওয়া এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে পঙ্কজ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর কঠিন দিনগুলোর কথা।
আর্থিক সাহায্য: ২০০৪ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে পঙ্কজ কোনো আয় করতে পারেননি। সেই সময়ে স্ত্রীর শিক্ষকতার আয় এবং আর্থিক সহায়তায় পুরো সংসার চলত।
অন্ধেরির অলিগলি থেকে পার্কিং লট: পঙ্কজ জানান, একসময় কাজের জন্য তিনি অন্ধেরিতে ঘরে ঘরে ঘুরে বলতেন— "আমাকে দিয়ে একটু অভিনয় করাও"। অথচ আজ সেই দিন বদলেছে; এখন পরিচালকরা তাঁর বাড়ির পার্কিং লটে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন স্ক্রিপ্ট শোনানোর জন্য।
পঙ্কজ ত্রিপাঠীর আগামী প্রজেক্ট
দর্শকদের প্রিয় 'কালীন ভাইয়া' (Kaleen Bhaiya) চরিত্রে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। বহুল প্রতীক্ষিত 'মির্জাপুর: দ্য মুভি' (Mirzapur: The Movie) সিনেমাটি আগামী ৪ঠা সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।
২০০৪ থেকে ২০১০: মৃদুলার একার কাঁধে সংসারের দায়িত্ব
বলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আগে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল পঙ্কজকে। 'নবভারত টাইমস'-কে দেওয়া এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে পঙ্কজ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর কঠিন দিনগুলোর কথা।
আর্থিক সাহায্য: ২০০৪ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে পঙ্কজ কোনো আয় করতে পারেননি। সেই সময়ে স্ত্রীর শিক্ষকতার আয় এবং আর্থিক সহায়তায় পুরো সংসার চলত।
অন্ধেরির অলিগলি থেকে পার্কিং লট: পঙ্কজ জানান, একসময় কাজের জন্য তিনি অন্ধেরিতে ঘরে ঘরে ঘুরে বলতেন— "আমাকে দিয়ে একটু অভিনয় করাও"। অথচ আজ সেই দিন বদলেছে; এখন পরিচালকরা তাঁর বাড়ির পার্কিং লটে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন স্ক্রিপ্ট শোনানোর জন্য।
পঙ্কজ ত্রিপাঠীর আগামী প্রজেক্ট
দর্শকদের প্রিয় 'কালীন ভাইয়া' (Kaleen Bhaiya) চরিত্রে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। বহুল প্রতীক্ষিত 'মির্জাপুর: দ্য মুভি' (Mirzapur: The Movie) সিনেমাটি আগামী ৪ঠা সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


