‘উনি দেবতা, ঠকুর, ওঁর ভাবসমাধি হয়েছিল…’! মোদীকে নিয়ে পাপিয়ার মন্তব্যে ট্রোল
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে পাপিয়া অধিকারিকে পরিহাস করে বলতে শোনা যায়, ‘সাহিত্যের মানুষ’কে মুখ্যমন্ত্রী বাননো হয়েছিল। আর সেখানেই স্বভাবতই উঠে আসে ‘চা ওয়ালা’ নরেন্দ্র মোদীর প্রসঙ্গ। যাতে পাপিয়ার সাফ কথা, ‘মোদী মানুষ না, ভগবান’।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাপিয়া অধিকারি প্রাক্তন ও প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিয়ে কথা বলেন। যেখানে তাঁকে পরিহাস করে বলতে শোনা যায়, ‘সাহিত্যের মানুষ’কে মুখ্যমন্ত্রী বাননো হয়েছিল। আর সেখানেই স্বভাবতই উঠে আসে ‘চা ওয়ালা’ নরেন্দ্র মোদীর প্রসঙ্গ। যাতে পাপিয়ার সাফ কথা, ‘মোদী মানুষ না, ভগবান’।

সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মুখ্যমন্ত্রী পাপিয়া অধিকারি। বাম আমলের চলচ্চিত্র উৎসব প্রসঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, ‘উনি না প্রচুর ইংরেজি সাহিত্য পরেছেন, স্পন্যানিশ সাহিত্য পরেছেন। ওইসব দেশ নিয়ে ওঁর জ্ঞান অনেক বেশি ছিল। ওগুলোর সঙ্গে নিজেকে রিলেট করতে পারতেন। তখন কীভাবে পলিটিক্সের সংসার চলত সেটা জানি না। আমরা এখানে নন্দনেই দেখেছি তাঁকে। এতদিন ধরে ছবি-টবির সঙ্গে, তখন পলিটিক্সটা কে চালাত! বিমানদা? জানি না বাবা। তখন তো এখানেই সারাদিন থাকতে হত। মানে দুপুর থেকে। দেখো আমি কারও কাজের সমালোচনা করব না। উনি একটা সাহিত্যের মানুষ। একজন সাহিত্যের মানুষকে মুখ্যমন্ত্রীর চাকরি দেওয়া হয়েছিল…’
এরপর স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে, একজন সাহিত্যের মানুষের মুখ্যমন্ত্রী হতে সমস্যা কোথায়, যদি চা-ওয়ালা দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারে। আর এই প্রশ্নেই পাপিয়া অধিকারির জবাব, ‘মোদী তো মানুষ নন, উনি দেবতা, ঠকুর। উনি আধ্যাত্মিকতায় উত্তীর্ণ হয়েছেন! তোমাদের মতো লোকেরা বলেছিল, দেখি কেমন ধ্যান করে। উনি একদিন, দুদিন তিনদিন ওই বরফের ঠান্ডা গুহায় ধ্যান করেছিল। ওঁর ভাবসমাধি হয়েছিল। তাই মোদীজিকে নিয়ে কিছু বোলোই না।’
আর পাপিয়া অধিকারির এই সাক্ষাৎকারের ঝলক সামনে আসতেই শুরু ট্রোল। একজন লেখেন, ‘দিন-দুপুরে গাঁজা টেনেছে’। আরেকজন লেখেন, ‘'উনি মানুষ না , উনি দেবতা'!!! আপনি সুস্থ আছেন তো ম্যাডাম ? 'ভাব সমাধি' ! মানে এতোখানি ক্যাজুয়ালি এই কথাগুলো ব্যবহার করা যায়, যে কাউকে বলে দেওয়াই যায় আর কী। অন্ধ ভক্ত বোধ হয় এদেরকেই বলে।’ তৃতীয় একটি কমেন্টে লেখা, ‘ধ্যানমগ্ন অবস্থায় পাশে সহচর ছিলেন আম্বানি আর আদানি, নন্দী আর ভৃঙ্গী।’
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি-র প্রার্থী হিসেবে টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন পাপিয়া অধিকারী। তবে তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে হয়েছে ট্রোল। যদিও সেসবে কান দিতে একেবারেই রাজি নন নয়া বিধায়িকা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


