বয়স ধরে রাখার ইনজেকশন নিতে গিয়েই মৃত্যু হয় শেফালির? মুখ খুললেন স্বামী পরাগ

শেফালি জারিওয়ালা ২০২৫ সালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর অসংখ্য মন্তব্য সামনে আসে, যার মধ্যে কিছু মন্তব্যে বলা হয় যে ইনজেকশনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছিল নায়িকার। তাঁর স্বামী পরাগ ত্যাগী এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। 

Published on: May 14, 2026, 11:06:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শেফালি জারিওয়ালা ২০২৫ সালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর অসংখ্য মন্তব্য সামনে আসে, যার মধ্যে কিছু মন্তব্যে বলা হয় যে ইনজেকশনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছিল নায়িকার। তাঁর স্বামী পরাগ ত্যাগী এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। তাঁর মতে এই দাবিগুলি মিথ্যা। পরাগ প্রশ্ন তুলেছেন, ফর্সা হওয়ার জন্য শেফালির ইনজেকশনের প্রয়োজন ছিল কী?

বয়স ধরে রাখার ইনজেকশন নিতে গিয়েই মৃত্যু হয় শেফালির?
বয়স ধরে রাখার ইনজেকশন নিতে গিয়েই মৃত্যু হয় শেফালির?

পরাগ ফিল্মিস্যানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা সব কিছুই খাই। শেফালি মারা যাওয়ার আগের দিনও আমরা চাইনিজ খাবার খেয়েছিলাম। আমাদের না খেয়ে থাকার কী দরকার? ও তো বেশ ফিট ছিল। না খেয়ে থাকলে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়।’

কিন্তু নিজের বয়স ধরে রাখার জন্য কি ইনজেকশন নিতেন শেফালি? কারণ এই নিয়ে একটা সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল। এই দাবির প্রসঙ্গে পরাগ বলেন, ‘ওঁর আরও ফর্সা চামড়ার কী দরকার ছিল? দয়া করে বলুন, কোন ধরনের ইনজেকশন বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে। যদি তা আজও সত্যি হত, তাহলে রতন টাটা এখনও বেঁচে থাকতেন।’

পরাগ জানান যে শেফালীর মৃত্যু কেবল লেখা ছিল। তাঁর আত্মা এখনও পরাগের সঙ্গেই আছে। তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা, গুঞ্জন ছড়াবেন না দয়া করে।’

এরপর পরাগ তার পোষা কুকুর সিম্বার কথাও বলেন। তিনি বলেন, এমন এক আবেগঘন মুহূর্তে সিম্বা তাঁর অবলম্বন ছিল। পরাগ আরও জানান যে, তিনি কখনও কল্পনাও করতে পারেননি সিম্বা তাঁর এত বড় অবলম্বন হয়ে উঠবে।

শেফালি ২৭ জুন মারা যান। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি কোনও গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন না। তবে, শৈশবে তিনি মৃগীরোগে আক্রান্ত হতেন। ১৫ বছর বয়সে তাঁর প্রথম খিঁচুনি হয়। শেফালি নিজেই জানিয়েছিলেন যে, এই অবস্থার জন্য তিনি ব্যাপক চিকিৎসা করিয়ে ছিলেন। এরপর তিনি যোগার মাধ্যমে তাঁর জীবনযাত্রা ভালো করার চেষ্টা করেন।

পারাস ছাবরার পডকাস্টে পরাগ দাবি করেছেন যে, কেউ শেফালির উপর কেউ কালো জাদু করেছিল। তিনি বলেন, ‘অনেকেই এটা বিশ্বাস করে না, কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমি এটা বিশ্বাস করি না, কিন্তু আমি জানি এটা ঘটেছে। যেখানে ঈশ্বর আছেন, সেখানে শয়তানও আছে, আর আপনারা জানেন, মানুষ নিজের দুঃখে দুঃখ পায় না, তাঁরা অন্যের সুখে দুঃখ পায়। আমার মনে হয় না যে আমি জানি কেউ এটা করেছে। আমি বলতে পারব না কে করেছে, কিন্তু কেউ একজন করেছে।’