Parama on Uttam Kumar Statue: উত্তম কুমারের ‘কদাকার হতকুৎসিত হাফবাস্ট স্ট্যাচু’, ক্ষোভ দেখিয়ে কী বললেন পরমা?
উত্তম কুমারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর মূর্তিটি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। যদিও বড় একটা অংশের দাবি, মহানায়কের চেহারার সঙ্গে কোনো মিলই নেই এই আবক্ষমূর্তিটির। এটিকে দেখে ফিরে ফিরে আসছে মেসি-র সেই মূর্তির কথা।
কলকাতায় মহানায়ক উত্তম কুমারের নতুন একটি ফাইবারের আবক্ষমূর্তি ও স্মারকফলক উন্মোচক করা হয়েছে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। জুলাই ২০২৬ তারিখে তাঁর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এই মূর্তিটি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। যদিও এটি নিয়ে এখন বিতর্ক তুঙ্গে। নেটপাড়ার বড় একটা অংশের দাবি, মহানায়কের চেহারার সঙ্গে কোনো মিলই নেই এই আবক্ষমূর্তিটির। এটিকে দেখে ফিরে ফিরে আসছে মেসি-র সেই মূর্তির কথা।

এবার উত্তম কুমারের মূর্তি নিয়ে ফেসবুকো পোস্ট করলেন পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘উত্তম কুমার একজন বাঙালি আইকন, লেজেন্ড বললেও ভুল হবে না। আপামর বাঙালির সেন্টিমেন্ট, হৃদয় সম্রাট। সর্বোপরি একজন আইকনিক অভিনেতা। তার ওইরকম একটি কদাকার হতকুৎসিত হাফবাস্ট স্ট্যাচু পাবলিক প্লেসে অত আড়ম্বরের সঙ্গে ডিসপ্লে করাটা কি তাঁর জন্যে খুব সম্মানজনক হল? আপনারাই বলুন।’
আর এই ফোনের কমেন্ট সেকশনে একজন মন্তব্য করলেন, ‘মেসির মূর্তি নাকি হৃতিক রোশনের মতো দেখতে! তাহলে উত্তম কুমারকে কার মতো দেখতে? মনে হচ্ছে, কেউ কেউ সত্যিই এভাবেই ভাবছেন! যা চলে গেছে আর যা এখনও আছে— দুটোই যেন সমান! শুধু লোক দেখানোর জন্য একটু-আধটু পার্থক্য করা হচ্ছে।’ আরেকজন আবার মস্করা করে লিখলেন, ‘মাঝরাত্রে ওই মুখ দেখলে আমার তো দাঁতকপাটি লাগবে!’
অন্য আরেকটি মন্তব্য, ‘সত্যিই খুব হতাশাজনক। আর আরও বেশি হতাশ লাগছে এটা দেখে যে ওঁর পরিবার এটা নিয়ে একেবারে চুপ’! আরেকজন বিজেপি সরকারের উদ্দেশে তোপ দেগে বলেন, ‘কেন অসুবিধা কোথায়, বাঙালি এখন তো কত কিছুই সহ্যের মধ্যে নিয়ে নিয়েছে! তা সে রবীন্দ্রনাথ বা নেতাজির অপমানই হোক, বিদ্যাসাগরের মুখ কালিমালিপ্ত করাই হোক বা অধমকুমার থুড়ি উত্তমকুমারের স্ট্যাচুই হোক। সহ্য করার অভ্যাস করতে হবে এবার থেকে।’
উত্তম কুমারের মূর্তি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কুণাল ঘোষ লিখেছিলেন, ‘এটা উত্তমকুমারের মূর্তি? ইয়ার্কি হচ্ছে? এটা রাজ্য সরকার বসাল। এই মূর্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলে কী হত ভাবতে পারছেন? মিডিয়া কতটা লাফাত, কতগুলো টক শো বসে যেত। এখন নীরবতা। বিজেপির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা দেখতে পাচ্ছেন না? অবিলম্বে এই মূর্তি সরিয়ে ঠিকঠাক মূর্তি বসাক রাজ্য। উত্তমকুমারকে নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


