Parambrata-Piya: ‘দলবদলু’ পরমব্রত এখন বিজেপি সমর্থক? ‘প্রশ্নই ওঠে না…’, সত্যি সামনে আনলেন বউ পিয়া
পরবির্তনের ঝড়ে গা ভাসিয়ে কি তবে বিজেপি সমর্থক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়? নেটপাড়ায় ‘দলবদলু’ ট্রোল, মুখ খুললেন অভিনেতা-পত্নী পিয়া চক্রবর্তী।
বিগত কয়েকদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড়। আর তার পিছনে আছেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে শিবপুরের বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের ডাকা বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সৃজিত মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, অশোক ধানুকা, সৌরভ দাস, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে হাজির ছিলেন সেখানে। আর সেই বৈঠকে বিশ্বাস ব্রাদার্সের বিপক্ষে মুখ খোলেন পরমব্রত। আর তারপর থেকেই অভিনেতার নামের পাশে নেটপাড়ার একাংশ জুড়ে দিয়েছে ‘দল বদলু’ তকমা।

পরমব্রতকে নিয়ে কী বললেন পিয়া?
এবার পরমব্রতকে নিয়ে হওয়া ট্রোলে মুখ খুললেন অভিনেতা-পত্নী। বরের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ক্লিপিংস শেয়ার করে নেন পিয়া চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরিতে। সঙ্গে লেখেন, ‘যাঁরা মনে করছেন পরমব্রত রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছেন, তাদের জন্য এই ক্লিপ রইল। সিনে টেকনিশিয়ান ফেডারেশনের কিছু অন্যায়/অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। বিজেপিকে সমর্থন করার কোনো প্রশ্নই নেই।’

কী আছে সেই ভিডিয়োতে?
আর পিয়ার শেয়ার করা সেই ভিডিয়োটি টিভি নাইন ডিজিটালের। যেখানে পরমব্রতকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আমি কাউকে বিচার করছি না, কিন্তু দেখছি প্রচুর আমার সঙ্গীসাথী যারা পেশাগতাবে পয়সার বিনিময়ে প্রচার করেছেন একাধিক দিন, যারা এটাকে শীতকালীন শো-এর মতো ট্রিট করেছে, তাঁরা দেখলাম ৪ তারিখ রাত্রের মধ্যে হঠাৎ করে দেখলাম বদলে গিয়েছেন।’ এই সাক্ষাৎকারে যখন পরমব্রতকে ‘বিজেপি বিরোধী’ বলে উল্লেখ করা হয়, তিনি প্রতিবাদ করেননি। বরং তারকাদের দল বদল নিয়ে মুখ খুলে বলেন, ‘আমি দ্যার্থহীনভাবে বলব এর দায় আগের সরকারের। আগের সরকার ক্ষতায় আসার ৪-৫ বছর পর, তখন যদিও আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই ছিল না তৃণূল কংগ্রেসের, সেই সময় যারা ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিলেন, এই সিচুয়েশনের জন্য তাঁরা দায়ি। কারণটা হচ্ছে, একটা কোনো রাজনৈতিক পক্ষে আমাকে থাকতেই হবে সিনেমার জগতে বেঁচে থাকতে হলে, এই ভয়টা গত ১৫ বছরে শিল্পীদের মধ্যে ঢুকেছে। সেটার জন্যই কিন্তু অনেকে এটা (দল বদল) করছে।’
টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োর বৈঠকে কী বলেন পরমব্রত?
পরমব্রত এদিন বলেন, ইন্ডাস্ট্রির তৎকালীন নিয়ম-নীতির বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ায় তাকে অলিখিতভাবে বয়কট করা হয় এবং কাজ থেকে দূরে রাখা হয়। ঠিক সেই সময়েই তার সদ্যোজাত সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে, নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে বাধ্য হয়ে তিনি 'দাঁতে দাঁত চেপে' ক্ষমা চেয়েছিলেন।
তবে এরপরে নেটপাড়ার প্রবল ট্রোলের মুখে পড়তে হয় পরব্রতকে। কারণ ভোট পূর্ববর্তী বাংলার নানা প্রান্তে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেছিলেন অভিনেতা। শুধু তাই নয়, ছড়াতে থাকে ২০২১ সালে অভিনেতার করা একটি টুইট। যা বিজেপিকে বিপুল ভোটে হারিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের পর করেছিলেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক’!
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


