Kuku Kohli Death: প্রয়াত ‘ফুল অউর কাঁটে’ পরিচালক কুকু কোহলি, বৈধব্য যন্ত্রণা অরুণা ইরানির জীবনে
'ফুল অউর কাঁটে' ছবির মাধ্যমে বলিউড পেয়েছিল অজয় দেবগনকে। সেই ছবির পরিচালক ছিলেন কুকু কোহলি। চলে গেলেন পরিচালক। বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
বলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক কুকু কোহলি ৭৭ বছর বয়সে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে ‘ফুল অউর কাঁটে’ পরিচালক।

পরিচালক হিসেবে অবদান ও জনপ্রিয় কাজ
বলিউডে নব্বইয়ের দশকের অ্যাকশন ও বাণিজ্যিক ছবি পরিচালনায় কুকু কোহলির বিশেষ অবদান রয়েছে। ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সফল ছবি ‘ফুল অউর কাঁটে’ (Phool Aur Kaante) পরিচালনার মাধ্যমে তাঁর আত্মপ্রকাশ। এই ছবির মাধ্যমে বলিউড পেয়েছিল অজয় দেবগনের মতো তারকাকে। ছবিটিতে মাধুরী, অমরীশ পুরী, অরুণা ইরানি ও জগদীপ অভিনয় করেছিলেন।
কুকু কোহলি পরিচালিত অন্যান্য স্মরণীয় ছবির মধ্যে রয়েছে ‘হকিকত’ (Haqeeqat), ‘সুহাগ’ (Suhaag), ‘জুমি’ (Zulmi), ‘আনাড়ি নম্বর ১’ (Anari No. 1) এবং ‘ইয়ে দিল আশিকানা’ (Yeh Dil Aashiqanaa)। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওহ তেরা নাম থা’ (Woh Tera Naam Tha) ছিল কুকু কোহলি পরিচালিত শেষ ছবি।
অরুণা ইরানির সঙ্গে দাম্পত্য জীবন
কুকু কোহলির দ্বিতীয় স্ত্রী, অভিনেত্রী অরুণা ইরানি। এই দম্পতি নিঃসন্তান। তবে কুকুর আগের স্ত্রী রীতা কোহলি-র দুই কন্যা— পূজা ও কারিশ্মা।
অরুণা ইরানি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, একটি সিনেমার সেটে কাজের সময় তাঁদের সম্পর্কের সূচনা ঝগড়া দিয়েই হয়েছিল। ছবির সেটে সহ-অভিনেতা ধর্মেন্দ্র না আসা পর্যন্ত শুটিং শুরু না করা নিয়ে অরুণা প্রায়শই তাঁর ওপর রেগে যেতেন, আর কুকু তাঁকে শান্ত করতেন। সেখান থেকেই তাঁদের ভালোলাগা ও ভালোবাসা গড়ে ওঠে।
সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত: কুকু কোহলি তাঁর প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই অরুণা ইরানিকে বিয়ে করেছিলেন, যা মেনে নিয়েছিলেন অরুণা। এ ছাড়া, তাঁরা দুজনে কোনো সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অরুণা এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁর এক ঘনিষ্ঠ ডাক্তার বন্ধুর পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন অরুণা-কুকু। সেইমতোই সিদ্ধান্ত নেন দুজনে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


