Piya-Parambrata Son: মাম্মা পিয়ার সঙ্গে ‘Carfie’ পরমব্রত-পুত্র নিষাদের, একগাল হেসে পোজ কিউটের ডিব্বার
মাঝেসাঝেই ছেলের মিষ্টি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নেন পিয়া। এবার এল মা-ছেলের কারফি! কিউটের ডিব্বা নডি মন কাড়ল নেটপাড়ার।
সদ্য বয়স হয়েছে ১ বছর। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার নয়নের মণি হয়ে উঠেছে নিষাদ ওরফে নডি। ২০২৫ সালের জুন মাসে ফুটফুটে এক পুত্র সন্তানের মা-বাবা হন পরমব্রত চট্টোপাধ্য়ায় ও পিয়া চক্রবর্তী। মাঝেসাঝেই ছেলের মিষ্টি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নেন পিয়া। এবার এল মা-ছেলের কারফি!

নিশ্চয়ই ভাবছেন এই ‘কারফি’ ব্যাপারটা কি! উইকিপিডিয়া বলছে গাড়ির ভিতরে তোলা সেলফি হল কারফি। পিয়ার শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেল সামনের সিটে পিয়া। আর পিছন থেকে উঁকি দিচ্ছে নডিবাবু। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেই ছবি শেয়ার করে পিয়া লিখলেন, ‘উই রক অ্যাট কারফিজ’! অর্থাৎ আমরা দুর্দান্ত কারফি তুলি।
দেখুন সেই ছবি-

২০২৩ সালে আইনি বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী পিয়া চক্রবর্তী। তার আগে, ২০২১ সালে গায়ক অনুপম রায়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় পিয়ার। প্রায় পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছিলেন অনুপম ও পিয়া। তাঁদের কোনও সন্তান ছিল না। পরে পরমব্রতের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন পিয়া। বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর তাঁদের সংসারে আসে পুত্রসন্তান, আর সেই সুখবর ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গেও।
দম্পতির ছেলের নাম রাখা হয়েছে নিষাদ। নামটির একাধিক তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে 'নিষাদ' হল সাতটি স্বরের সপ্তম বা শেষ সুর। আবার সংস্কৃত অর্থ অনুযায়ী, এই নাম এমন একজনকে বোঝায়, যাকে দুঃখ বা বেদনা স্পর্শ করতে পারে না। তবে পরমব্রত ও পিয়ার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সংগীতের প্রতি তাঁদের গভীর ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই ছেলের জন্য এই নামটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
সংগীতের সঙ্গে দুজনেরই আলাদা এক আত্মিক যোগ রয়েছে। ব্যস্ততার ফাঁকে অবসর সময়ে গান গাইতে ভালোবাসেন পরমব্রত ও পিয়া। বাড়ির বৈঠকখানায় প্রায়ই জমে ওঠে তাঁদের ছোট্ট গানের আসর। সেই মুহূর্তের ঝলক মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেন তাঁরা, যা অনুরাগীদেরও বেশ পছন্দের।
সন্তানের জন্মের পর কিছুদিনের জন্য কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন পরমব্রত ও পিয়া—দুজনেই। যদিও পরমব্রত টলিউডের পরিচিত মুখ, পিয়ার পেশাগত পরিচয় সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি একজন Mental Health Professional এবং সমাজসেবী। কলকাতার একটি মানসিক স্বাস্থ্য অধিকার সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি Health & Ecodefence Society (HEDS)-এর প্রধান নির্বাহী আধিকারিক (CEO) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা দীর্ঘদিনের।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


