সামনে ল্যাপটপ! বাবা পরমব্রতকে ঘিরে নিনা-বাঘা-নডিবাবু, সুখী গৃহকোণের ছবি দিল পিয়া
পরমব্রত ও পিয়া-র সুখী দাম্পত্য হামেশাই কেড়ে নেয় নেটপাড়ার মন। শনিবারও দাম্পত্যের এক মিষ্টি ছবি তুলে ধরলেন পিয়া। যেখানে দেখা গেল নোটপ্যাডে কাজে ব্যস্ত বাবা! আর তাঁকে ঘিরে নডি, নিনা-বাঘা। যেন গুরুত্বপূর্ণ এক মিটিং বসেছে।
ছুটির দিন মানেই পরিবারের সঙ্গে কাটানো নিখাদ সময়। তারকাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু এই নিয়মের অন্যথা হয় না। শনিবার পিয়া চক্রবর্তীর শেয়ার করা ফোটোতে ধরা পড়ল সেরকমই এক দৃশ্য। যা জিতে নিল নেটপাড়ার মন।

দেখা গেল বিছানায় বসে আছেন পরমব্রত। হাফ প্যান্ট আর টি-শার্ট তাঁর গায়ে। সামনে খোলা নোটপ্যাড। যদিও মন পড়ে আছে সন্তানদের দিকেই। নোটপ্যাডের ঠিক সামনে বিছানার সিংহভাগ দখল করেছে বাঘা আর নিনা। একপাশে নডি। হাতে আবার একটা কৌটো। আর এই মিষ্টি ছবি শেয়ার করে পিয়া লিখলেন, ‘টিম মিটিং। ড্যাড ওয়ার্কিং ফ্রম হোম’। ছবি দেখে সত্যি মনে হবে, যেন কোনো গোল টেবিল জরুরি বৈঠক।
আর পিয়ার এই পোস্টে একজন কমেন্ট করলেন, ‘ওলে বাবা! কী মিষ্টি ছবিখানা’। আরেকজন লিখলেন, ‘৩টে বাচ্চাই কী কিউট’!
সন্তানের জন্মের মাসখানেক আগে বহুতল ফ্ল্যাট ছেড়ে দক্ষিণ কলকাতায় একটি বাড়িও কেনেন পরমব্রত আর পিয়া। যাতে পাড়া-পরিবেশে আর পাঁচজনের মাঝে বড় হয়ে উঠতে পারে তাঁদের সন্তান। বহুতলের বদ্ধ পরিবেশে নয়, বরং সময় কাটে রোদ-হাওয়ায়। বাড়ির সামনের পার্কে খেলা করতে যেতে পারে নডি। খুব সুন্দরভাবে নিজের হাতে বাড়িখানা সাজিয়ে তুলেছেন তাঁরা। পরম ও পিয়ার করা একাধিক পোস্টে ধরা পড়ে তাঁদের বাড়ির নান্দনিক সজ্জা।
২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে কাগুজে বিয়ে করেছিলেন পরমব্রত ও পিয়া। একেবারে ছিমছাম ঘরোয়া আয়োজনেই চার হাত এক হয়েছিল। আর বিয়ের বছর ঘোরা-র পরপরই ২০২৫ সালের প্রেম দিবসের দিন সন্তান আসার সুখবর নিয়েছিলেন ভাগ করে। এরপর ২০২৫ সালের ১ জুন সন্তান কোলে আসে পরমব্রত ও পিয়ার। সন্তানের ডাকনাম রেখেছেন নডি, আর ভালো নাম নিষাদ। 'নিষাদ' শব্দের অর্থ সাত সুরের সপ্তম সুর কিংবা যাকে দুঃখ কখনো ছুঁতে পারে না। আবার ছেলেকে আদর করে ‘জুনিয়র’ ডাকেন অভিনেতা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


