শান্তিনিকেতনের ছিমছাম মেয়ে থেকে জগতজোড়া খ্যাতি! তাঁর চোখের এই সানগ্লাসের দাম কত
কানাডার এক মনোমুগ্ধকর লোকেশনে দাঁড়িয়ে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে নেন পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গানে মুগ্ধ নেটপাড়া। জানেন গায়িকার চোখে থাকা এই সানগ্লাসটির দাম কত?
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে নিলেন পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তাঁকে কানাডার এক মনোমুগ্ধকর লোকেশনে দাঁড়িয়ে ‘যদি দেখার ইচ্ছে হয়’ গাইতে দেখা যাচ্ছে। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই প্রশংসায় ভরাল নেটপাড়া। একজন কমেন্ট করলেন, ‘এই গরম সকালে তোমার গান শুনে মন ঠান্ডা ও তাজা হয়ে গেল, তোমাকে খুব ভালোবাসি দিদি।’ আরকেকজন লিখেছেন, ‘আপনার গলার অনুভূতিগুলি খুব সুন্দর ভাবে ফুটে ওঠে পাশাপাশি আপনি স্টেজে যে পারফরম্যান্স করেন তার মধ্যে থাকে ভীষণ আত্মবিশ্বাস এবং গান গাওয়ার স্টাইলটা খুব সুন্দর’।

তবে পৌষালীর এই ভিডিয়োতে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তাঁর চোখে থাকা এই কালো ফ্রেমের সানগ্লাসটি। যাতে দেখা যাচ্ছে গুচির লোগো। তা কত দাম সেই সানগ্লাসটির। গুচির ওয়েবসাইট অনুসারে এটির দাম ২৭,৫০০ টাকা।

এই মুহূর্তে বাংলার অন্যন্ত জনপ্রিয় লোকসংগীত ও বাউল গান শিল্পী হলেন পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সংগীতের প্রথম ও প্রধান গুরু হলেন তাঁর মা. মাত্র চার বছর বয়স থেকেই মায়ের হাত ধরে তাঁর সংগীতের পথচলা শুরু হয়। টেলিভিশন রিয়েলিটি শো জি বাংলার 'সারেগামাপা'-র অন্যতম প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। একটানা ২৯ ঘণ্টা গান গাওয়ার এক অনন্য কীর্তির জন্য তিনি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড থেকে স্বীকৃতিও পান।
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পারিজাত দত্তকে বিয়ে করেন পৌষালী। পারিজাত দত্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। আর এই ক্যাম্পাসেই একে-অপরের প্রেমে পড়েন পৌষালী ও পারিজাত। শান্তিনিকেতনের এক সাধারণ গৃহবধূ থেকে রিয়্যালিটি শো 'সা রে গা মা পা'-র মাধ্যমে সঙ্গীতশিল্পী হয়ে ওঠার পিছনে বরাবৎই ঢাল হয়েছিলেন পারিজাত। এমনকী, এখনও বউয়ের ম্যানেজার তিনিই। দিদি নম্বর ১ রিয়েলিটি শো-তে এসে নিজেদের ভালোবাসার গল্প শুনিয়েছিলেন দুজনে। এমনকী, এই শো-তে হাঁটু মুড়ে বসে প্রোপোজও করেছিলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


