বাটোয়ারা ১৯৪৭ সুপার ফ্লপ! কামব্যাক সিনেমার ভরাডুবি নিয়ে কী বললেন প্রীতি জিন্টা?
বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা তাঁর কামব্যাক সিনেমা 'বাটোয়ারা ১৯৪৭'-এর ব্যর্থতা নিয়ে মুখ খুলেছেন। দীর্ঘ সময় পর অভিনেত্রীকে পর্দায় দেখা গিয়েছিল। যদিও ছবিটি বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করতে পারেনি।

বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতাকে সম্প্রতি 'বাটোয়ারা ১৯৪৭' ছবিতে দেখা গিয়েছে। এটি ছিল অভিনেত্রীর কামব্যাক সিনেমা। যদিও ছবি নিয়ে প্রত্যাশা থাকলেও, এটি বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করতে পারেনি। ছবিতে প্রীতির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন সানি দেওল, শাবানা আজমি, করণ দেওল এবং আলি ফজল। দেশভাগের গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত ছবিটি দর্শকদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়। সম্প্রতি ছবিটির ব্যর্থতা নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রীতি।
বাটোয়ারা ১৯৪৭-এর ব্যর্থতা নিয়ে কী বললেন প্রীতি?
মিড-ডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী 'বাটোয়ারা ১৯৪৭' নিয়ে কথা বলেন এবং জানান যে, যে কোনো অভিনেতা কেবল নিজের সেরাটাই দিতে পারেন। প্রীতি জিন্টা বলেন, ‘প্রথমত, আমি ছবিটি নিয়ে খুব গর্বিত এবং এটি একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল। আর একজন অভিনেতা হিসেবে, আমরা সবসময় দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করি এবং আমাদের শতভাগ দেই।’ প্রীতি আরও বলেন যে, তিনি কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাসী এবং বাকিটা ইশ্বরের উপর ছেড়ে দেন। ফলাফলের উপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
বাজি মারেন ইমরান হাশমি
আমির খানের প্রযোজনায় মুক্তি পাওয়া ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ ১৫০ কোটি টাকার বিশাল বাজেটে নির্মিত হয়েছিল। বিশাল তারকা সমাবেশ এবং ব্যয়বহুল সেট থাকা সত্ত্বেও, ছবিটি বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়। স্যাকনিল্কের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ছবিটি মাত্র ৩৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সানি দেওলের ছবি বক্স অফিসে ইমরান হাশমির 'আওয়ারাপন ২'-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, আর এই লড়াইয়ে ইমরান বিজয়ী হন।
রিপোর্ট অনুসারে ইমরান হাশমির সিনেমা আওয়ারাপন মাত্র ৫০ কোটি টাকার বাজেটে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে ১৫০ কোটি টাকার বেশি আয় করে। ফলে লড়াই শেষে বিজয়ীর মুকুট ইমরানের মাথাতে।
বাটোয়ারা ১৯৪৭-এর গল্প
সিনেমাটি অধ্যাপক আসগর ওয়াজাহাত রচিত একটি নাটকের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছিল। নাটকটি প্রথম ১৯৮৯ সালে মঞ্চস্থ হয়। গল্প একজন মুসলিমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, যিনি দেশভাগের পর পাকিস্তানের লাহোরে চলে যেতে বাধ্য হন। সেখানে একটি হিন্দু পরিবার তাঁর বাড়ির উপরতলার বাসিন্দা। দেশভাগের পরেও সেই হিন্দু পরিবার পাকিস্তান ছাড়তে রাজি ছিল না। ধীরে ধীরে সানির চরিত্রের সঙ্গে ওই হিন্দু বৃদ্ধ মহিলার একাত্মতা বাড়ে। তাকে নিজের মায়ের জায়গায় বসান। জনরোষ থেকে কীভাবে সেই পরিবারকে বাঁচান, সেটাই ছবিতে ফুটে উঠেছে।
প্রীতি জিন্টার প্রত্যাবর্তন
এই সিনেমার মাধ্যমে প্রীতি জিন্টার কামব্যাক হল। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে পর্দায় দেখা ভক্তদের জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা ছিল। তবে, সিনেমাটি সানি দেওলের কেরিয়ারের জন্য অন্যতম ফ্লপ প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে গদর ২-এর আকাশচুম্বী সাফল্যের পর।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


