Arijit-Pritam: ‘পরিচালকরা এমন চাপ দেন…’! জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র অরিজিতের অবসর নিয়ে সরব প্রীতম

প্রীতমের মতে, অরিজিতের এই ঘোষণাকে বাণিজ্যিক সঙ্গীত জগতের চাপ থেকে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিরতি হিসেবেই দেখা উচিত। এমনকী জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্রকে একটু একা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধও এল তাঁর তরফ থেকে। 

Published on: May 13, 2026, 12:25:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সহশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর বহুল আলোচিত সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন সঙ্গীত পরিচালক প্রীতম চক্রবর্তী। বলেন, এটিকে স্থায়ী অবসর হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রীতমের মতে, অরিজিতের এই ঘোষণাকে বাণিজ্যিক সঙ্গীত জগতের চাপ থেকে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিরতি হিসেবেই দেখা উচিত।

জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র অরিজিতের অবসর নিয়ে কী বললেন প্রীতম।
জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র অরিজিতের অবসর নিয়ে কী বললেন প্রীতম।

স্ক্রিন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অরিজিৎ সিং-এর ‘অবসর’ নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেছেন । প্রীতমের মতে, মানুষ অরিজিতের অবসর প্রসঙ্গটি নিয়ে ‘অতিরিক্ত ভাবছেন’ এবং তাঁকে কিছুটা ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়া উচিত।

প্রীতম বলেন, ‘সে তো অনেক গান গাইছিল, হয়তো এখন একটু বিরতি চায়। পরিচালকরা অনেক সময় আমাদের ওপর চাপ দেন, আমাদের পক্ষেও 'না' বলা কঠিন। ওকে সময় দিন, সব ঠিক হয়ে যাবে। মানুষ ওর অবসর নিয়ে খুব বেশি ভাবছে। কেন এত চাপ দিচ্ছেন? ও যা করতে চায়, করতে দিন। ও যখন ইচ্ছে করবে, তখনই গাইবে। ওরও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। প্রত্যেক শিল্পীরই মাঝে মাঝে বিরতি দরকার।’

প্রীতম চক্রবর্তী আরও জানান অরিজিৎ সিং-এর অবসর সংক্রান্ত ঘোষণার পর তিনি নিজেও বিরতি নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। সুরকারের কথায়, তিনি প্রায় এক বছর ধরে কাজ থেকে অবসর বা দীর্ঘ বিরতির কথা ভাবছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো সাহস এখনও জোগাড় করতে পারেননি। তাঁর এই মন্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, টানা কাজের চাপ শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলছে এবং মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়া জরুরি হয়ে ওঠে।

এই সাক্ষাৎকারে প্রীতম অরিজিতের সঙ্গে এক ব্যক্তিগত কথোপকথনের স্মৃতিও ভাগ করে নেন। প্রীতমের কথায়, সবাই যখন অরিজিতের শহর জিয়াগঞ্জে গিয়েছিলেন, তখন তিনি যেতে পারেননি। সেই সময় অরিজিৎ মজা করে তাঁকে বলতেন, ‘তুমি আসবে না।’ প্রীতম জানান তিনি অরিজিৎকে বলেছিলেন, ‘আমি অবসর নেব। যেদিন ঘোষণা করব, সেদিন তোমার কাছে আসব, তারপর আমরা একসঙ্গে তারাপীঠ যাব।’ গত এক বছর ধরেই অরিজিৎ তাঁর মুখে এই একই কথা শুনছিলেন।

সুরকারের দাবি, এক রাতে অরিজিৎ তাঁকে বলেছিলেন, ‘যেদিন তুমি অবসর নেবে, সেদিন আমিও অবসর নেব।’ আর তারপরের দিনই নাকি অরিজিৎ প্লেব্যাক সিঙ্গিং থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। পরে ফোন করে মজা করেই নাকি বলেন, ‘আপনার দ্বারা হবে না’। অর্থাৎ প্রীতম হয়তো শেষ পর্যন্ত কখনোই অবসর নিতে পারবেন না বলেই মনে করেন অরিজিৎ।

প্রসঙ্গত, প্রীতম চক্রবর্তী ও অরিজিৎ সিং-এর জুটি বলিউডের অন্যতম সফল সুরকার-গায়ক জুটি হিসেবে পরিচিত। তাঁদের একসঙ্গে করা জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘তুম হি হো’, ‘চান্না মেরেয়া’, ‘আয় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘অগর তুম সাথ হো’ এবং ‘কেশরিয়া’-র মতো বহু হিট গান।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More