হাতে মেহেন্দি, সিঁথিতে সিঁদুর! এয়ো লুকে প্রিয়াঙ্কা, বর নিক জোনাসের দীর্ঘায়ু কামনায় পালন করলেন করবা চৌথ

স্বামী নিক জোনাসের জন্য করবা চৌথের উপোস রাখলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ২৯ অক্টোবর উৎসবের নানা মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী। সিঁদুরে লাল পোশাক, সিঁথিতে সিঁদুর আর নিজের হাতে আঁকা মেহেন্দিতে ধরা দিলেন তিনি। সেই সঙ্গে মেয়ে মালতী মেরি ও নিকের আদুরে মুহূর্তও মন জয় করেছে অনুরাগীদের।

Published on: Oct 29, 2026, 21:53:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বিয়ের পর থেকে ভারতীয় ঐতিহ্য ও উৎসবের সঙ্গে নিজের যোগ বারবার তুলে ধরেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এবার করবা চৌথেও তার অন্যথা হল না। স্বামী নিক জোনাসের দীর্ঘায়ু কামনায় উপোস করলেন অভিনেত্রী। উৎসবের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করতেই নজর কাড়ল তাঁর সাজ।

বিদেশে দেশি কায়দায় করবা চৌথ পালন করলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
বিদেশে দেশি কায়দায় করবা চৌথ পালন করলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

করবা চৌথের উপোস ভাঙার সময় সিঁদুরে লাল রঙের একটি ট্র্যাডিশনাল কুর্তা সেট পরেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। স্লিভলেস কুর্তার সঙ্গে ছিল অরগাঞ্জা দুপাট্টা। পোশাকের উপর সোনালি লেসের কাজ, ঝলমলে সিকুইন এবং অ্যাপ্লিকের কারুকাজ সাজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল।

সোনার গয়না, সিঁথিতে সিঁদুর—প্রিয়াঙ্কার সাজে সাবেকিয়ানা

ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সঙ্গে সোনার কুন্দনের গয়নায় সাজ সম্পূর্ণ করেন অভিনেত্রী। হাতে ছিল হাথফুল, কানে মুক্তোখচিত ঝুমকো, আঙুলে আংটি এবং নজরকাড়া একটি ঘড়ি। মাঝখানে সিঁথি করে খোলা চুলে হালকা ওয়েভ, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক, গালে ব্লাশ, চোখে মাসকারা এবং কপালে লাল টিপ—সব মিলিয়ে সাবেকি সাজে ধরা দেন প্রিয়াঙ্কা। সিঁথিতে সিঁদুরও পরেছিলেন তিনি।

'কবে উঠবে চাঁদ?'—মজার পোস্ট প্রিয়াঙ্কার

করবা চৌথের ছবি ভাগ করে নেওয়ার সময় নিজের চেনা রসিক মেজাজেও ধরা দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। একটি ছবিতে বেসবল ক্যাপ পরে চাঁদের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ছবির ক্যাপশনে মজা করে লেখেন, 'কবে উঠবে এই চাঁদ?'

অন্য একটি ছবিতে নিকের সঙ্গে বাইরে দাঁড়িয়ে পোজ দিয়েছেন অভিনেত্রী। হাতে ছিল করবা চৌথের পুজোর থালি। সেই ছবির সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার মজার মন্তব্য, প্রতি বছরই তিনি একটু বেশি সিনেম্যাটিক হয়ে ওঠেন!

প্রিয়াঙ্কার করবা চৌথ উদযাপন।
প্রিয়াঙ্কার করবা চৌথ উদযাপন।

বাবা নিককে জড়িয়ে মালতী, আদুরে মুহূর্ত ভাগ প্রিয়াঙ্কার

উৎসবের ছবির মধ্যে সবচেয়ে মিষ্টি মুহূর্তগুলির একটি ছিল মেয়ে মালতী মেরির সঙ্গে নিকের ছবি। সেখানে বাবাকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় ছোট্ট মালতীকে। ছবিটি পোস্ট করে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, 'বাবা বাড়ি ফিরেছে! একটা ফ্রেমেই আমার গোটা পৃথিবী… সকলকে করবা চৌথের শুভেচ্ছা।' পরিবারের এই আদুরে মুহূর্ত অনুরাগীদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।

নিজের হাতেও মেহেন্দি আঁকলেন প্রিয়াঙ্কা

করবা চৌথ উপলক্ষে নিজের হাতে মেহেন্দিও এঁকেছেন অভিনেত্রী। বিশেষ বিষয় হল, সেই নকশা অন্য কাউকে দিয়ে নয়, নিজেই তৈরি করেছেন প্রিয়াঙ্কা। মেহেন্দিতে লেখা ছিল নিক ও মেয়ে মালতীর নামের আদ্যক্ষর।

প্রিয়াঙ্কার হাতে করবা চৌথের মেহেন্দি।
প্রিয়াঙ্কার হাতে করবা চৌথের মেহেন্দি।

ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, 'নিজের হাতে… স্বামীর নামের মেহেন্দি। যাঁরা করবা চৌথ পালন করছেন, তাঁদের সকলকে শুভেচ্ছা।' পাশাপাশি মিষ্টি নিয়ে একটি মজার ইঙ্গিতপূর্ণ ক্যাপশনও দিয়েছেন তিনি। উৎসবের সাজ, স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর পরিবারের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত—সব মিলিয়ে প্রিয়াঙ্কার করবা চৌথের উদযাপন যেন হয়ে উঠল ভালোবাসার এক বিশেষ উদাহরণ।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More