Rahul-Priyanka: রাহুলের শেষকৃত্যেও কেন চোখে নেই জল! স্বামীর মৃত্যুতে ‘নির্মম’ কটাক্ষ, মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা
স্বামী রাহুলের শেষকৃত্যে একটি কুর্তা আর ডেনিম জিন্স পরে দেখা গিয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। যা নয়ে শুরু হয় ট্রোল। সম্প্রতি কাজে ফেরা নিয়েও কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি। চারপাশে থাকা নেগেটিভিটি নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা।
২৯ মার্চ বাংলা ধারাবাহিক ‘ভোলেবাবা পার রপেগা’-র শ্যুট করতে গিয়ে তালসারির সমুদ্রে ডুবে মারা যান রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলের মৃত্যুর পর, নেটপাড়ার একটা অংশের ট্রোলের মুখে পড়েন তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। স্বামীর শেষকৃত্যে একটি কুর্তা আর ডেনিম জিন্স পরে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে শুধু পোশাক নিয়ে নয়, কিছু মানুষ তো প্রশ্ন তোলেন, কেন একবারও চোখের জল ফেলতে দেখা গেল না প্রিয়াঙ্কাকে! কেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের যখন তাঁর মাথায় স্নেহের হাত রাখেন, তখন এক চিলতে হাসি ফুটেছিল প্রিয়াঙ্কার মুখে! এরকমই আজব আর কুরুচিকর কমেন্টে ভরে যায় সোশ্যাল মিডিয়া।

আপাতত নিজের পরবর্তী ওয়েব সিরিজ ‘কুহেলি’-র প্রচার নিয়ে ব্যস্ত আছেন প্রিয়াঙ্কা। অবশ্য এই নিয়েও কম কটাক্ষ হয়নি, একদল প্রশ্ন তোলে, ‘স্বামী হারা একজন কীভাবে এত জলদি ফিরল কাজে’! তবে এবার সব ট্রোলে জবাব দিলেন অভিনেত্রী। টিভি নাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করলেন, শত নেতিবাচকতার মধ্যেও ভালোটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তিনি।
প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমি চেষ্টা করি সব পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই ভালোটা খুঁজে নেওয়ার। আমার মনে হয় যে, যখনই এরকম কোনো পরিস্থিতি এসছে, পাঁচজন হয়তো নেগেটিভ কথা বলেছে, কিন্তু ৫০ জন পাশে থেকেছেন এবং ভালো কথা বলেছেন। সেই পাঁচ জনকে আমার গুরুত্ব না দিলেও চলবে। যে ৫০জন পাশে থেকেছে, তাঁরাই কিন্তু আমাদের হয়ে লড়াইগুলো করে। আসলে অনেকেই বাজে কথা বলে, কারণ তারা অ্যাটেনশন চায়। আর এদেরকে গুরুত্ব না দেওয়া সবচেয়ে ভালো রেসপন্স হতে পারে।’
‘যেমন তোমার চারপাশে থাকা মানুষগুলোর সঙ্গে তুমি তোমার কষ্টের কথা ভাগ করে নাও, মন হালকা করো। তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় পজিটিভিটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়াটা ইম্পর্টেন্ট। এরা তোমার অ্য়াটেনশন ডিজার্ভ করে। যারা তোমার জন্য লড়াই করছে। কেন আমি নেতিবাচক কথাকে আমার জীবনে প্রভাব ফেলতে দেব!’, আরও বলেন প্রিয়াঙ্কা।
২০০৮ সালে রাজ চক্রবর্তীর ব্লকবাস্টার ছবি 'চিরদিনই তুমি যে আমার' করার সময় তাঁরা একে-অপরের প্রেমে পড়েন। প্রিয়াঙ্কা তখন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। শুরুতে পরিবারের আপত্তি থাকলেও তাঁরা লিভ-ইন করতে শুরু করেন। ২০১০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর তাঁদের কোল আলো করে আসে একমাত্র সন্তান সহজ। তবে ২০১৭ সাল থেকে তাঁদের মধ্যে তিক্ততা আসে। সহজ তখন খুব ছোট। ২০১৮ সালে প্রিয়াঙ্কা বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন। যদিও ২০২৩ সালে ছেলে সহজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ডিভর্সের মামলা বন্ধ করে দেন। রাহুল-প্রিয়াঙ্কার একসঙ্গে থাকার খবরে শুধু ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মী, কাছের মানুষদের নয়, খুশি করেছিল ভক্তদেরকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


