রাতের অন্ধকারে দেওয়ালে ‘ভালো বাংলা ছবি আসছে’ লেখা পোস্টার মারলেন প্রসেনজিৎ! ব্যাপার কী?

টলিউডের প্রিয় 'বুম্বা দা' প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। আর এবার সেই তিনি কিনা দেওয়ালে পোস্টার লাগালেন। হঠাৎ কী এমন হল? কোন ছবির জন্য এমন পোস্টার?

Published on: May 31, 2026, 14:51:12 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিউডের প্রিয় 'বুম্বা দা' প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। আর এবার সেই তিনি কিনা রাতের অন্ধকারে দেওয়ালে পোস্টার লাগালেন। হঠাৎ কী এমন হল? কোন ছবির জন্য এমন পোস্টার?

রাতের অন্ধকারে দেওয়ালে ‘ভালো বাংলা ছবি আসছে’ লেখা পোস্টার মারলেন প্রসেনজিৎ!
রাতের অন্ধকারে দেওয়ালে ‘ভালো বাংলা ছবি আসছে’ লেখা পোস্টার মারলেন প্রসেনজিৎ!

রবিবার আনন্দবাজার ডট কমের শেয়ার করা একটি ভিডিয়োয় এই ছবি উঠে এসেছে। ওই ভিডিয়োয় কালো টি-শার্ট, ধূসর জিন্স ও রোদচশমায় দেখা মিলেছে নায়কের। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে রাতের অন্ধকারে শহরের দেওয়ালে পোস্টার মারছেন প্রসেনজিৎ! বেশ সতর্ক হয়ে কাজ করছেন তিনি। মাঝে মাঝে নজর বুলিয়ে নিচ্ছেন চারিদিকে, কেউ তাঁর উপর নজর রাখছে কিনা তা দেখার জন্য। আর সেই পোস্টারে লেখা, ‘অনেকদিন পর একটা ভালো বাংলা ছবি আসছে।’

কিন্তু কোন ছবি আসছে? এর মাঝেই তো বেশ অনেকগুলি বাংলা ছবিতে তিনি নিজেই কাজ করেছেন। তাছাড়াও তাঁর নিজেও বেশ কিছু ছবি আসছে। তবে নায়ক কোন ছবির আভাস দিলেন? সেই উত্তর এখনও অধরা।

কাজের সূত্রে চলতি বছরে প্রসেনজিতের ছবিও মুক্তি পেয়েছে। তার মধ্যে ‘বিজয়নগরের হীরে' বক্সঅফিসে বেশ ভালো ফল করেছিল। তাছাড়াও তাঁর নতুন ছবি 'অভিমান’ আসছে।

এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এবং যিশু সেনগুপ্ত। ছবিটির প্রযোজকও যিশু। তাঁর ও সৌরভ দাসের প্রযোজনা সংস্থা হোয়াই সো সিরিয়াস এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে। ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ছবির টিজার।

টিজারের শুরুতে দেখা গিয়েছে, অন্ধকারে মাঝে স্পটলাইট আর হালকা ধোঁয়া তার মাঝেই ফুটে উঠছে 'আকাশ চট্টোপাধ্যায়-এর অবয়ব। এই চরিত্রেই রয়েছেন প্রসেনজিৎ। নেপথ্যে তখন জনতার উল্লাস আর যিশুর কন্ঠে আকাশের বর্ননা, 'একটা যুগ, একটা প্রজন্ম, একটা সময়ের নাম আকাশ চট্টোপাধ্যায়'। তারপর দেখা যায় আকাশকে ঘিরে তার ভক্তদের বাঁধভাঙা উল্লাস, অটোগ্রাফ, মঞ্চে মন মাতানো পার্ফরম্যান্স। তবে এরপরই হয় ছন্দপতন। উন্মাদনাকে পিছনে ফেলে দেয় একাকিত্বের নীরবতা। আর আকাশের মনোলগে না ভুলতে পারা দিনের কথা আর বিচ্ছেদের ব্যথা।

এরপরই জানা যায় অ্যাজাইমারে ভুগছে আকাশ। দেখা মেলে 'শ্রী'র। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন শুভশ্রী। যাকে বিপদে আকড়ে ধরে বাঁচতে চায় আকাশ। তার গলায় ফুটে ওঠে অসহায় আর্তির, 'আমায় ছেড়ে যাবে না তো?' না ছেড়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি আর ভালোবাসা যত্নে আকাশ ভরে দেয় শ্রী। অন্যদিকে, এর সমান্তরালে চলতে থাকে ঋষির সঙ্গে শ্রীর সম্পর্কের সমীকরনের ওঠা পড়া। ঋষি চরিত্রে ছবিতে দেখা মিলবে যিশুর। শেষ পর্যন্ত আকাশের অবলম্বন হয়েই কি শ্রী থেকে যাবে? নাকি ঋষি সঙ্গে মিলবে জীবন? সেই উত্তর মিলবে ছবিতে।