Badshah Wife: বরের কোলে বসা আদুরে ছবি! বাদশার সঙ্গে বিয়েতে সিলমোহর পঞ্জাবি-অভিনেত্রী ইশা রিখির
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক মাস ধরেই ইশা ও বাদশার বিয়ে নিয়ে নানা গুজব চলছিল, বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিয়ো অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে। এবার তাতে পড়ল অফিসিয়াল সিলমোহর।
পঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি অবশেষে নিশ্চিত করেছেন যে তিনি র্যাপার ও গায়ক বাদশার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। কয়েকমাস ধরেই বাদশা ও ইশার সম্পর্ক নিয়ে চলছিল তুমুল জল্পনা-কল্পনা। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি 'আস্ক মি এনিথিং' সেশনে অভিনেত্রী এই তথ্যটি প্রকাশ করেন, যখন ভক্তরা বারবার তার বিয়ে ও বাদশার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকে।

প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক মাস ধরেই ইশা ও বাদশার বিয়ে নিয়ে নানা গুজব চলছিল, বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিয়ো অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে। তবে, ইশা ও বাদশা দুজনেই এতদিন এই বিষয়ে নীরব ছিলেন।
বাদশার সঙ্গে বিয়েতে সিলমোহর দিলেন ইশা
Ask Me Anything চলাকালীন, একজন ভক্ত ইশাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘ম্যাম আপনার আর বাদশা ভাইয়ের বিয়ে কি হয়ে গিয়েছে? তাহলে আপনারা একে-অপরকে ফলো করছেন না কেন?’ একই ধরনের প্রশ্নের ঢল নামে যেন! জবাবে ইশা লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়, আমি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রশ্নগুলোর বন্যায় ভেসে গিয়েছি।’
এরপর তিনি বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং মজা করে জানান যে, কেন তিনি ও বাদশা ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে ফলো করেন না। লেখেন, ‘হ্যাঁ, আমি বিবাহিত। এবার সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে প্রশ্নে, তাতে আসা যাক: আপনারা একে অপরকে ফলো করেন না কেন? সত্যি বলতে, আমার মনে হয় আমার স্বামীর কাছে এর একটি ব্যাখ্যা প্রাপ্য। পতি দেব (বাদশাহ), দর্শকদের প্রশ্ন আছে। অনুগ্রহ করে আপনার সুবিধামতো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলোর উত্তর দিন’
আর ইশা-র এই স্টোরি ভক্তদের নজর টানে। কারণ এটাই ছিল বিয়ের খবরে দম্পতির তরফ থেকে প্রথম অফিসিয়াল সিলমোহর।

ইশা রিখি বাদশাহর সঙ্গে ছবিও শেয়ার করেছেন
আরেকজন ভক্ত জানতে চেয়েছেন, বাদশার সঙ্গে বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও ইশা কেন তার সঙ্গে কোনো ছবি পোস্ট করেননি। নেটিজেন লিখেছেন, ‘আপনি আপনার স্বামী বাদশার সঙ্গে কোনো ছবি পোস্ট করেননি কেন? আপনি তো তার স্ত্রী, একটাও ছবি নেই?’
এরপর সবাইকে অবাক করে বাদশার সঙ্গে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করেন ইশা। যেখানে তাঁকে বরের কোলে বসে গলা জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা গিয়েছে। র্যাপার নিজেও আলিঙ্গন করেছেন স্ত্রীকে।

বাদশা ও ইশার বিয়ের গুঞ্জন
২৪ মার্চ বাদশা ও ইশার বিয়ে নিয়ে জল্পনা প্রথম জোরালো হয়, যখন ইশার মা পুনম রিখি ইনস্টাগ্রামে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন, যেগুলো দেখে মনে হচ্ছিল দম্পতির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছে। যা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও প্রিয়জনদের উপস্থিতিতে একটি ঘরোয়া পারিবারিক আয়োজন ছিল বলে মনে করা হয়েছিল। তবে একাধিক মিডিয়া রিপোর্টের পরেও বাদশা বা ইশা কেউই এই খবরে সিলমহর দেননি।
ইশা রিখি কে?
১৯৯৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জন্ম ইশার। তিনি একজন পঞ্জাবি অভিনেত্রী ও মডেল।২০১২ সালে 'জাট অ্যান্ড জুলিয়েট' ছবিতে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিনোদন জগতে পা রাখা। 'হ্যাপি গো লাকি' ও 'আরদাস'-এর মতো সিনেমায় দেখা মিলেছে ইশার।
রাঘব জুয়াল, পুনিত পাঠক এবং ধর্মেশ ইয়েলান্দের 'নবাবজাদে' সিনেমাতেও দেখা গিয়েছিল ইশাকে। সিনেমা ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি পঞ্জাব মিউজিক ভিডিয়োতেও কাজ করেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


