সাঁতারই ধ্যানজ্ঞান বেদান্তের! ছেলের জন্য ভারত ছেড়ে দুবাইতে বাড়ি কিনলেন মাধবন
আর মাধবন এখন আর ভারতে থাকেন না। অভিনেতা পরিবার নিয়ে দুবাইতে চলে গিয়েছেন। অভিনেতা বলেন যে, আগে তিনি ভাবতেন মানুষ কী ভাববে। কিন্তু ছেলের জন্য পাকাপাকিভাবে দুবাইতে চলে যান। সেখানে একটি বিলাসবহুল বাড়িও কিনেছেন।
প্রবীণ অভিনেতা আর মাধবন এখন মুম্বই ছেড়ে দুবাইয়ে বসবাস করছেন। ছেলে বেদান্ত মাধবনের কেরিয়ারের কথা মাথায় রেখেই নিজের জীবনের এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা। বাবার জুতোয় পা গলিয়ে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেননি বেদান্ত। বরং সাঁতারকেই বেছে নিয়েছেন কেরিয়ার হিসেবে।

জানা গিয়েছে যে, আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা তাঁদের ছেলের সাঁতার কেরিয়ারের কারণে দুবাইয়ে চলে এসেছেন। আপাতত গোটা পরিবার থাকেন দুবাইতেই। এর পিছনের অন্যতম কারণ ছিল ২০২০ সালে করোনা লকডাউন চলাকালীন দেশের বেশিরভাগ সুইমিং পুল বন্ধ ছিল। যার প্রভাব পড়েছিল বেদান্তের সাঁতার অনুশীলনে। অভিনেতার মতে, তাঁর ছেলে বেদান্ত যদি একটানা অনুশীলন না করেন, তাহলে তাঁর স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যাবে। তাই ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই দুবাই চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।
ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়া ওপেন এবং ড্যানিশ ওপেন-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় তিনি ভারতের হয়ে সোনা জিতেছেন আর মাধবন। তিনি কমনওয়েলথ ইয়ুথ গেমসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের হয়ে আরও বড় সাফল্য আনা এবং অলিম্পিকে দেশের জন্য স্বর্ণপদক জয় করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস অনুসারে, আর মাধবনের মোট সম্পদ ১২৫ কোটি টাকা বলে জানা যায়। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ব্র্যান্ডের প্রচার থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা পান তিনি। আর মাধবন দুবাইতে একটি বিলাসবহুল বাড়ির মালিক। দুবাই মেরিনায় কিনেছেন তিনি এই সম্পত্তিটি। এমনকী নিজের শখ পূরণের জন্য অভিনেতা দুবাইয়ে একটি ইয়টও কিনেছেন এবং নিজেই তা চালানোর জন্য ক্যাপ্টেন লাইসেন্স অর্জন করেছেন।
দুবাইয়ের বাড়িটি ছাড়াও আর মাধবনের মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সে (BKC) ১৭.৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট এবং চেন্নাইতে একটি নিজস্ব বাংলো রয়েছে।
কাজের সূত্রে, আর মাধবনকে সম্প্রতি ধুরন্ধর ২-এ দেখা গিয়েছে। অজয় সান্যালের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। 'ধুরন্ধর' ছবির দু'টি পার্টেই ছিলেন তিনি। এরপর তা বক্স অফিসে সুনামি আনে।
ধুরন্ধর ২-এর বক্স অফিসের কথা বললে, ছবিটি ১১৪৬ কোটি নেট সংগ্রহ করেছে। একইসঙ্গে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও এসেছে ছবিটি। ছবিটি সারা বিশ্বে পছন্দ হচ্ছে। ভারতে স্ট্রিমের অপেক্ষায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


