আম্বানিদের ছোট বউ রাধিকার প্রিয় আমিরের এই সিনেমা, পছন্দের সিরিজ কোনটি?
সম্প্রতি রাধিকা আম্বানি ‘ইন্ডিয়াজ ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট টু ইউনাইটেড নেশনস’-এর সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন। পছন্দের সিনেমা থেকে ওটিটি শো, নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
আম্বানি পরিবারের কনিষ্ঠ পুত্রবধূ রাধিকা আম্বানি তাঁর সরল ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাধারার জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি জীবনে গভীর প্রভাব ফেলা সিনেমা, প্রিয় বই এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। সেখানে রাধিকার উত্তরগুলি উপস্থিত সকলের নজর কেড়ে নেয়।

রাধিকা আম্বানি সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়াজ ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট টু ইউনাইটেড নেশনস’-এর এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি তিনি একটি র্যাপিড-ফায়ার রাউন্ডেও অংশ নেন। সেখানেই বই, সিনেমা, ওটিটি এবং তরুণ প্রজন্ম নিয়ে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
মহিলাদের স্বনির্ভরতা নিয়ে কী বললেন রাধিকা?
আলোচনার সময় রাধিকা মহিলাদের আর্থিক ও মানসিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ে নারীদের স্বাধীন ও আত্মনির্ভর হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই প্রসঙ্গেই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
কোন বই সবার পড়া উচিত?
র্যাপিড-ফায়ার পর্বে রাধিকাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, এমন কোন বই রয়েছে যা প্রত্যেক মানুষের পড়া উচিত। প্রশ্নের উত্তরে তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে বলেন, প্রত্যেকেরই ভগবদ্গীতা পড়া উচিত। তাঁর এই উত্তর অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
কোন সিনেমা তাঁর জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে?
এরপর তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, কোন সিনেমা তাঁর জীবন ও চিন্তাভাবনায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। উত্তরে রাধিকা বেছে নেন লাগন নাম। তিনি জানান, সিনেমাটি তাঁর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং দলগত প্রচেষ্টা, আত্মবিশ্বাস ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার শিক্ষা দিয়েছে।
শেষ কোন ওটিটি শো দেখেছেন?
বই ও সিনেমার পাশাপাশি ওটিটি নিয়েও প্রশ্ন করা হয় রাধিকাকে। তিনি জানান, সর্বশেষ যে শোটি তিনি দেখেছেন সেটি হল ফ্রেন্ডস। জনপ্রিয় এই সিরিজটি এখনও তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
‘ইন্ডিয়া’ শব্দটি শুনলেই কার কথা মনে পড়ে?
তরুণ প্রজন্ম সম্পর্কে জানতে চাইলে রাধিকা এক শব্দে উত্তর দেন—‘ফিউচার’ অর্থাৎ ভবিষ্যৎ। তাঁর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্ব বর্তমান যুবসমাজের কাঁধেই রয়েছে।
একই সঙ্গে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘ইন্ডিয়া’ শব্দটি শুনলে প্রথম কার কথা মনে আসে? উত্তরে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম উল্লেখ করেন।
১৬ বছর বয়সে কোন বিষয়টি জানা সবচেয়ে জরুরি?
তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দিতে গিয়ে রাধিকা বলেন, জীবনে প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার ভয় কখনও পাওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘যদি বড় স্বপ্ন দেখার সাহস থাকে, তবে একদিন তা বাস্তবেও রূপ নেবে। শুধু ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যেতে হবে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


